০/১৯. অধ্যায়ঃ
আবূ উবাইদাহ বিন জাররাহ (রাঃ)-এর সম্মান
আবু উবাইদা (রাঃ): এ উম্মতের আমানতদার
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৩৬
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৩৬
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ صِلَةَ بْنِ زُفَرَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ لأَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ الْجَرَّاحِ " هَذَا أَمِينُ هَذِهِ الأُمَّةِ " .
আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ (রাঃ)-কে বললেন: এ ব্যক্তি হলো এ উম্মতের আমানতদার (পরম বিশ্বস্ত ব্যক্তি)।
[১৩৪] আহমাদ ৩৯২০ তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৩৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ (রাঃ)-কে বলেন, “এ ব্যক্তি হলো এ উম্মতের আমানতদার।” খুব সংক্ষিপ্ত এই বাণীতে আবু উবাইদা (রাঃ)-এর বিশাল মর্যাদা প্রকাশ পেয়েছে। এখানে তাঁর দীর্ঘ জীবনী নেই, কিন্তু নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর দেওয়া এই পরিচয়ই তাঁর চরিত্র বোঝার জন্য যথেষ্ট। আমানতদারি মানে দায়িত্বে বিশ্বাসযোগ্য থাকা, কথায় ও কাজে ভরসার যোগ্য হওয়া। হাদিসে “এ উম্মতের আমানতদার” বলা হয়েছে, তাই আবু উবাইদা (রাঃ)-এর ফজিলত আলোচনা করতে এই হাদিস খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদেরও শেখায়, মানুষের কাছে বিশ্বস্ত হওয়া বড় ইবাদতসম্মত চরিত্র।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আবু উবাইদা (রাঃ)-এর বিশেষ পরিচয় হলো আমানতদারি।
- নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর দেওয়া উপাধি সাহাবীর মর্যাদা বুঝতে সাহায্য করে।
- বিশ্বস্ততা মুসলিম চরিত্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- দায়িত্ব পেলে তা আমানত ভেবে পালন করা উচিত।
