৫/১৪৮. অধ্যায়ঃ

যে সকল সময় সালাত পড়া মাকরূহ।

সালাতের মাকরূহ সময়: দিন-রাতের সময় নিয়ে নববী উত্তর

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১২৫২

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ دَاوُدَ الْمُنْكَدِرِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، عَنِ الضَّحَّاكِ بْنِ عُثْمَانَ، عَنِ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ سَأَلَ صَفْوَانُ بْنُ الْمُعَطَّلِ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي سَائِلُكَ عَنْ أَمْرٍ أَنْتَ بِهِ عَالِمٌ وَأَنَا بِهِ جَاهِلٌ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ وَمَا هُوَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ هَلْ مِنْ سَاعَاتِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ سَاعَةٌ تُكْرَهُ فِيهَا الصَّلاَةُ قَالَ ‏"‏ نَعَمْ إِذَا صَلَّيْتَ الصُّبْحَ فَدَعِ الصَّلاَةَ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ فَإِنَّهَا تَطْلُعُ بِقَرْنَىِ الشَّيْطَانِ ثُمَّ صَلِّ فَالصَّلاَةُ مَحْضُورَةٌ مُتَقَبَّلَةٌ حَتَّى تَسْتَوِيَ الشَّمْسُ عَلَى رَأْسِكَ كَالرُّمْحِ فَإِذَا كَانَتْ عَلَى رَأْسِكَ كَالرُّمْحِ فَدَعِ الصَّلاَةَ فَإِنَّ تِلْكَ السَّاعَةَ تُسْجَرُ فِيهَا جَهَنَّمُ وَتُفْتَحُ فِيهَا أَبْوَابُهَا حَتَّى تَزِيغَ الشَّمْسُ عَنْ حَاجِبِكَ الأَيْمَنِ فَإِذَا زَالَتْ فَالصَّلاَةُ مَحْضُورَةٌ مُتَقَبَّلَةٌ حَتَّى تُصَلِّيَ الْعَصْرَ ثُمَّ دَعِ الصَّلاَةَ حَتَّى تَغِيبَ الشَّمْسُ ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, সাফওয়ান বিন মুয়াত্তাল (রাঃ) রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট জিজ্ঞাসাসুরে বলেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! আমি এমন একটি বিষয় আপনার নিকট জিজ্ঞেস করতে চাই যেটা সম্পর্কে আপনি জ্ঞাত কিন্তু আমি অজ্ঞ। তিনি বলেন, তা কি? তিনি বলেন, রাত ও দিনের সময়সমূহের মধ্যে এমন সময়ও কি আছে যখন সালাত পড়া মাকরূহ?তিনি বলেন, হ্যাঁ। তুমি ফজরের সালাত পড়ার পর থেকে সূর্য উদিত না হওয়া পর্যন্ত (নফল) সালাত পড়া ত্যাগ করো। কারণ তা শয়তানের দু’শিং-এর মধ্যখান দিয়ে উদিত হয়।অতঃপর তুমি সালাত পড়ো। এই সালাতে ফেরেশতাগণ উপস্থিত হয় এবং (ইবাদত) কবুল করা হয়, (তা পড়তে পারো) যতক্ষণ না সূর্য তীরের মত তোমার মাথার উপরে এসে সোজা হয়। যখন সূর্য তীরের মত তোমার মাথার উপর স্থির হয় তখন সালাত পড়া ত্যাগ করো। কারণ এই সময় জাহান্নাম উত্তপ্ত করা হয় এবং দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়, যতক্ষণ না সূর্য তোমার ডান ভ্রূ দিয়ে ঢলে পড়ে।তা ঢলে পড়ার পর থেকে তোমার আসরের সালাত পড়ার পূর্ব পর্যন্ত (সময়ে নফল) সালাতে ফেরেশতাগণ উপস্থিত হন এবং তা কবুল করা হয়। অতঃপর তুমি সূর্যাস্ত না হওয়া পর্যন্ত সালাত ত্যাগ কর।

[১২৫২] মুসলিম ৮২৫, নাসায়ী ৫৬১, আহমাদ ৯৬৩৭, ১০০৬৪, ১০২৪৫, ১০৪৬৫; মুওয়াত্ত্বা মালিক ৫১৪, ইবনু মাজাহ ১২৪৮। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহাহ ১৩৭১।

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১২৫২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে সাফওয়ান বিন মুয়াত্তাল (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে জিজ্ঞেস করেন, দিন-রাতের মধ্যে এমন কোনো সময় আছে কি, যখন সালাত পড়া মাকরূহ? নবীজি (صلى الله عليه وسلم) বলেন, হ্যাঁ। তিনি ফজরের সালাতের পর সূর্য উঠা পর্যন্ত সালাত ত্যাগ করতে বলেন। এরপর সূর্য ওপরে উঠে গেলে সালাতের অনুমতি দেন এবং বলেন, এ সালাতে ফেরেশতাগণ উপস্থিত হন ও তা কবুল করা হয়। তারপর সূর্য মাথার উপর তীরের মতো স্থির হলে সালাত ত্যাগ করতে বলেন। সূর্য ঢলে পড়ার পর আবার আসর পর্যন্ত সালাতের সুযোগের কথা বলেন। এরপর সূর্যাস্ত পর্যন্ত বিরত থাকতে বলেন। এই হাদিসে সালাতের সময় জেনে চলার শিক্ষা স্পষ্ট।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সালাতের মাকরূহ সময় সম্পর্কে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়েছে।
  • ফজরের পর সূর্য ওঠা পর্যন্ত সালাত ত্যাগের নির্দেশ এসেছে।
  • সূর্য মাথার ওপরে স্থির হলে সালাত ত্যাগের কথা বলা হয়েছে।
  • আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত সালাত থেকে বিরত থাকার কথা এসেছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন