৫/১৩৭. অধ্যায়ঃ

শুরু করা সলাতের ভিত্তি ঠিক রাখা।

সালাতে ওজু ভেঙে গেলে করণীয়: সহজ নববী নির্দেশনা

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১২২১

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ خَارِجَةَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ مَنْ أَصَابَهُ قَىْءٌ أَوْ رُعَافٌ أَوْ قَلَسٌ أَوْ مَذْىٌ فَلْيَنْصَرِفْ فَلْيَتَوَضَّأْ ثُمَّ لْيَبْنِ عَلَى صَلاَتِهِ وَهُوَ فِي ذَلِكَ لاَ يَتَكَلَّمُ ‏"‏ ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, সালাতরত অবস্থায় কারো বমি হলে, নাক দিয়ে রক্ত বের হলে, খাদ্য বা পানীয় পেট থেকে মুখে চলে এলে অথবা মযি নির্গত হলে, সে যেন বাইরে এসে ওজু করে, অতঃপর পূর্বোক্ত সালাতের অবশিষ্টাংশ পূর্ণ করে, উক্ত অবস্থায় যদি সে কথা না বলে থাকে।

যঈফ।

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১২২১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে সালাতরত অবস্থায় কিছু বিশেষ অবস্থার কথা বলা হয়েছে। কারো বমি হলে, নাক দিয়ে রক্ত বের হলে, খাদ্য বা পানীয় পেট থেকে মুখে উঠে এলে, অথবা মযি নির্গত হলে সে সালাত থেকে বের হবে। এরপর সে ওজু করবে এবং পূর্বের সালাতের বাকি অংশ পূর্ণ করবে, যদি সে এই সময় কথা না বলে থাকে। হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী এখানে সালাতের শুদ্ধতা ও ওজুর সম্পর্ক স্পষ্ট করা হয়েছে। একই সঙ্গে সালাতের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় কথা বলা থেকে বিরত থাকার বিষয়টিও এসেছে। তাই এই হাদিস সালাতে ওজু ভঙ্গ হলে শান্তভাবে করণীয় শেখায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সালাতের মধ্যে ওজু ভাঙার মতো অবস্থা হলে বাইরে গিয়ে ওজু করতে হবে।
  • হাদিসে কথা না বলার শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে।
  • সালাতের শুদ্ধতা রক্ষায় ধীরভাবে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।
  • ওজু সালাতের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে বিবেচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন