৫/১১৭. অধ্যায়ঃ

বিত্‌র সলাতে দুআ’ কুনূত।

বিতরের কুনূতের দোয়া: হিদায়াত, রক্ষা ও বরকতের প্রার্থনা

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১১৭৮

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ بُرَيْدِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ أَبِي الْحَوْرَاءِ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ، قَالَ عَلَّمَنِي جَدِّي رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَلِمَاتٍ أَقُولُهُنَّ فِي قُنُوتِ الْوِتْرِ ‏ "‏ اللَّهُمَّ عَافِنِي فِيمَنْ عَافَيْتَ وَتَوَلَّنِي فِيمَنْ تَوَلَّيْتَ وَاهْدِنِي فِيمَنْ هَدَيْتَ وَقِنِي شَرَّ مَا قَضَيْتَ وَبَارِكْ لِي فِيمَا أَعْطَيْتَ إِنَّكَ تَقْضِي وَلاَ يُقْضَى عَلَيْكَ إِنَّهُ لاَ يَذِلُّ مَنْ وَالَيْتَ سُبْحَانَكَ رَبَّنَا تَبَارَكْتَ وَتَعَالَيْتَ ‏"‏ ‏.‏

হাসান বিন আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমার নানা রসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বিতর সালাতের কুনূত পড়ার জন্য কতগুলো বাক্য শিক্ষা দিয়েছেন :(আল্লাহুম্মা আফিনী ফীমান আফাইত ওয়াতাওয়াল্লানী ফীমান তাওয়াল্লাইত, ওয়াহদিনী ফীমান হাদাইত, ওয়াকীনী শার্রা মা কদাইত, ওয়া বারিকলী ফীমা আ’তাইত, ইন্নাকা লা তুকদা আলাইকা, ইন্নাহু লা ইয়াধিল্লু মাঁ ওয়ালাইত, সুবহানাকা রব্বানা তাবারাকতা ওয়া তা’আলাইত।)অর্থাৎ “হে আল্লাহ! যাদের প্রতি তোমার উদারতা প্রদর্শন করেছ, তাদের সাথে আমাকেও উদারতা প্রদর্শন করো, যাদের তুমি অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছ, তাদের সাথে আমার অভিভাবকত্ব গ্রহণ করো, যাদের তুমি হিদায়াত দান করেছ তাদের সাথে আমাকেও হিদায়াত দান করো।তোমার নির্ধারিত অকল্যাণ থেকে আমাকে রক্ষা করো। তুমি আমাকে যা দান করেছ তাতে বরকত দাও। কেবল তুমিই নির্দেশ দিতে পারো, তোমার উপর কারো নির্দেশ চলে না। তুমি যার পৃষ্ঠপোষকতা দাও, সে কখনও অপমানিত হয় না। হে আমাদের রব! তুমি পবিত্র, কল্যাণময় ও সুউচ্চ”।

[১১৭৮] তিরমিযী,৪৬৪, না,১৭৪৫, ১৭৪৬ আহমাদ, ১৪২৫ আ, ১৭২০, ২৭৮২০। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: ইরওয়াহ ৪২৯, মিশকাত ১২৭৩, তালীক ইবনু খুযাইমাহ ১০৯৫, সহীহ আবী দাউদ ১১৮১।

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১১৭৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে হাসান বিন আলী (রাঃ) বলেন, তাঁর নানা রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাঁকে বিতর সালাতের কুনূতে পড়ার জন্য কিছু বাক্য শিক্ষা দিয়েছেন। দোয়ায় আল্লাহর কাছে উদারতা, অভিভাবকত্ব, হিদায়াত, অকল্যাণ থেকে রক্ষা এবং দানকৃত বিষয়ে বরকত চাওয়া হয়েছে। আরও বলা হয়েছে, আল্লাহ নির্দেশ দেন, তাঁর ওপর কারো নির্দেশ চলে না; তিনি যার পৃষ্ঠপোষকতা করেন, সে অপমানিত হয় না। এই হাদিস “দোয়া কুনূত”, “বিতর নামাজের কুনূত” এবং “আল্লাহুম্মা আফিনী” খোঁজার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাখ্যায় মূল দোয়াটির অর্থ ধরে রাখা জরুরি, কারণ এতে বান্দার চাওয়া ও আল্লাহর মহত্ত্ব—দুটি বিষয় সুন্দরভাবে এসেছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • বিতর সালাতের কুনূতে পড়ার দোয়া নবী (صلى الله عليه وسلم) শিক্ষা দিয়েছেন।
  • দোয়ায় হিদায়াত, রক্ষা ও বরকত চাওয়ার কথা এসেছে।
  • আল্লাহর সিদ্ধান্ত ও মর্যাদার কথা দোয়ায় স্বীকার করা হয়েছে।
  • সালাতের দোয়া শুধু চাওয়া নয়, আল্লাহর প্রশংসাও শেখায়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন