৫/৮৯. অধ্যায়ঃ
ইমামের মিম্বার থেকে নামার পর কথা বলা।
জুমার দিনে মিম্বার থেকে নেমে প্রয়োজনীয় কথা বলার আদব
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১১১৭
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১১১৭
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَانَ يُكَلَّمُ فِي الْحَاجَةِ إِذَا نَزَلَ عَنِ الْمِنْبَرِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ .
আনাস বিন মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) জুমুআর দিন মিম্বার থেকে নেমে প্রয়োজনীয় কথা বলতেন।
[১১১৭] তিরমিযী ৫১৭, নাসায়ী ১৪১৯, আবূ দাঊদ ১১২০, আহমাদ ১১৮৭৫। তাহক্বীক্ব আলবানী: শায। তাখরীজ আলবানী: যঈফ আবী দাউদ ২০৯, কিন্তু ইশার কথা সহীহ, সহীহ আবী দাউদ ১৯৭। উক্ত হাদিসের রাবী আবু দাউদ সম্পর্কে ইবনু মাহদী বলেন, তিনি মানুষের মাঝে সত্যবাদী। ইয়াহইয়া বিন মাঈন তাকে দুর্বল বলেছেন। আলী ইবনুল মাদীনী বলেন, তার চেয়ে অধিক স্মৃতিসম্পন্ন ব্যাক্তি আর কাউকে দেখিনি।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১১১৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, নবী صلى الله عليه وسلم জুমুআর দিন মিম্বার থেকে নেমে প্রয়োজনীয় কথা বলতেন। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এতে একটি বাস্তব দিক দেখা যায়। খুতবা ও মিম্বারের মর্যাদা আছে, তবে প্রয়োজনীয় কথা বলার সুযোগও ছিল। এখানে “মিম্বার থেকে নেমে কথা”, “জুমার দিনের প্রয়োজনীয় কথা” এবং “খুতবার পর কথা” বিষয়গুলো যুক্ত। হাদিসে কোন ধরনের প্রয়োজন, কতক্ষণ কথা, বা কার সঙ্গে কথা—এসব বিস্তারিত বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত ঘটনা যোগ করা উচিত নয়। শুধু এতটুকু বলা যায়, নবী صلى الله عليه وسلم প্রয়োজন হলে মিম্বার থেকে নামার পর কথাবার্তা বলতেন। এতে ইসলামের সহজতা ও বাস্তব জীবনঘনিষ্ঠ দিক দেখা যায়। তাই প্রয়োজনীয় কথার জায়গা আছে, কিন্তু খুতবার মর্যাদা ও শৃঙ্খলা ভুলে নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মিম্বার থেকে নেমে প্রয়োজনীয় কথা বলার বর্ণনা এসেছে।
- প্রয়োজনীয় বিষয়কে হাদিসে স্বাভাবিকভাবে দেখানো হয়েছে।
- হাদিসে বিস্তারিত না থাকলে তা বানিয়ে বলা ঠিক নয়।
- জুমার আদবের সঙ্গে প্রয়োজনের জায়গাও বোঝা যায়।
