৫/৮১. অধ্যায়ঃ
জুমুআহ্র দিনের গোসল ঐচ্ছিক।
জুমার খুতবা নীরবে শোনা: ওযু ও মনোযোগের ফজিলত
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১০৯০
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১০৯০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الْوُضُوءَ ثُمَّ أَتَى الْجُمُعَةَ فَدَنَا وَأَنْصَتَ وَاسْتَمَعَ غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْجُمُعَةِ الأُخْرَى وَزِيَادَةُ ثَلاَثَةِ أَيَّامٍ وَمَنْ مَسَّ الْحَصَى فَقَدْ لَغَا " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি উত্তমরূপে ওযু করে জুমার সালাতে এসে ইমামের নিকটবর্তী হয়ে বসলো এবং নীরবে মনোযোগ সহকারে খুতবা শুনলো, তার এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমার মধ্যবর্তী সময়ের এবং আরও তিন দিনের গুনাহ ক্ষমা করা হয়। আর যে ব্যক্তি কংকর স্পর্শ করলো, সে অনর্থক কাজ করলো।
[১০৯০] মুসলিম ৮৫৭, তিরমিযী ৪৯৮, আবূ দাঊদ ১০৫০, আহমাদ ৯২০০। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহ আবূ দাউদ ৯৬৪।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১০৯০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জুমার সালাতের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আদব বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি উত্তমরূপে ওযু করে জুমার সালাতে আসে, ইমামের কাছে বসে, নীরবে মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনে—তার এক জুমা থেকে পরের জুমা এবং আরও তিন দিনের গুনাহ ক্ষমার কথা এসেছে। একই হাদিসে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি কংকর স্পর্শ করলো, সে অনর্থক কাজ করলো। এতে বোঝা যায়, খুতবার সময় মনোযোগ নষ্ট করে এমন ছোট কাজও এড়িয়ে চলা দরকার। জুমার নামাজে উপস্থিতি, উত্তম ওযু, নীরবতা এবং খুতবার প্রতি মনোযোগ—সবই এই বর্ণনার মূল বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমার আগে উত্তমরূপে ওযু করা প্রশংসনীয়।
- খুতবা নীরবে ও মনোযোগ দিয়ে শোনার শিক্ষা এসেছে।
- কংকর স্পর্শ করার মতো অনর্থক কাজ থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
