৫/৭৭. অধ্যায়ঃ
সালাত ত্যাগকারীর বিধান।
সালাত বর্জনের ভয়াবহতা: বান্দা ও কুফরের মাঝের পার্থক্য
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১০৭৮
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১০৭৮
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " بَيْنَ الْعَبْدِ وَبَيْنَ الْكُفْرِ تَرْكُ الصَّلاَةِ " .
জাবির বিন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, বান্দা ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হলো সালাত বর্জন।
[১০৭৮] মুসলিম ৮২, তিরমিযী ২৬১৮, ২৬২০; আবূ দাঊদ ৪৬৭৮, আহমাদ ১৪৫৬১, ১৪৭৬২; দারিমী ১২৩৬। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১০৭৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সালাত বর্জনের ভয়াবহতা খুব সংক্ষিপ্ত ও শক্ত ভাষায় বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, বান্দা ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হলো সালাত বর্জন। এখানে সালাতকে শুধু একটি আমল হিসেবে নয়, বরং ঈমান ও দ্বীনি পরিচয়ের বড় চিহ্ন হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। হাদিসের ভাষা সরাসরি, তাই ব্যাখ্যাতেও অতিরিক্ত কথা না বাড়িয়ে মূল বিষয়টি বোঝা উচিত। সালাতের গুরুত্ব, নামাজ ত্যাগের ক্ষতি এবং নিয়মিত নামাজ আদায়ের প্রয়োজনীয়তা এই বর্ণনা থেকে স্পষ্ট হয়। এটি মুসলিমকে নিজের সালাত নিয়ে সতর্ক হতে শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাত বর্জনকে খুব গুরুতর বিষয় হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
- সালাত মুসলিম পরিচয়ের বড় চিহ্ন।
- নামাজ ত্যাগের ব্যাপারে অবহেলা করা উচিত নয়।
- হাদিসটি সালাতের গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয়।
