All books

সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব (০ টি হাদীস)

ইলম বা বিদ্যা অধ্যায়

পরিচ্ছেদঃ

হাদীছ শোনা, পৌঁছিয়ে দেয়া ও তা লিখার প্রতি উদ্ধৃদ্ধ করণ এবং রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর প্রতি মিথ্যারোপ করার ব্যাপারে ভীতি প্ৰদৰ্শনঃ

৯০

সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব

অধ্যায় : ইলম বা বিদ্যা অধ্যায়

হাদীস নং : ৯০


(صحيح) وَعَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ قاَلَ سَمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ نَضَّرَ اللَّهُ امْرَأً سَمِعَ مِنَّا حَدِيثًا فَبَلَّغَهُ غَيْرَهُ فَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ إِلَى مَنْ هُوَ أَفْقَهُ مِنْهُ وَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ لَيْسَ بِفَقِيهٍ.
ثَلاثٌ لاَ يَغِلُّ عَلَيْهِنَّ قَلْبُ مُسْلِمٍ: إِخْلاصُ الْعَمَلِ لِلَّهِ، وَمُنَاصَحَةُ وُلاةِ الأَمْرِ وَلُزُومُ الْجَمَاعَةِ ، فَإِنَّ دَعْوَتَهُمْ تُحِيطُ مِنْ وَرَائِهِمْ.
وَمَنْ كَانَتْ الدُّنْيَا نِيَّتُهُ فَرَّقَ اللَّهُ عَلَيْهِ أَمْرَهُ، وَجَعَلَ فَقْرَهُ بَيْنَ عَيْنَيْهِ ، وَلَمْ يَأْتِهِ مِنَ الدُّنْيَا إِلا مَا كَتَبَ اللَّهُ لَهُ، وَمَنْ نِيَّتُهُ كَانَتْ الآخِرَةَ جَمَعَ اللَّهُ لَهُ شَمْلَهُ، وَجَعَلَ غِنَاهُ فِي قَلْبِهِ، وَأَتَتْهُ الدُّنْيَا رَاغِمَةً. رواه ابن حبان في صحيحه والبيهقي بتقديم وتأخير وروى صدره إلى قوله ليس بفقيه أبو داود والترمذي وحسنه والنسائي وابن ماجه بزيادة عليهما

যায়েদ বিন ছাবেত (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আমি শুনেছি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ “আল্লাহ তা’আলা উজ্জলতা দান করুন সেই ব্যক্তিকে যে আমাদের একটি হাদীছ শ্রবণ করে অতঃপর তা অপরের কাছে পৌঁছে দেয়। কেননা জ্ঞান বহনকারী কতক ব্যক্তি তার চেয়ে অধিক জ্ঞানীর কাছে পৌছে দেয়। আর জ্ঞান বহনকারী কতক ব্যক্তি, নিজেই জ্ঞানী নয়।
তিনটি বিষয়ে কোন মুসলিমের অন্তর হিংসা করে নাঃ (১) কর্মকে আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠ করা (২) নেতৃবৃন্দকে নসীহত করা এবং (৩) (মুসলমানদের) জামাআতকে আকড়ে থাকা। কেননা এদের দু’আ অন্যান্যদেরকেও পরিবেষ্টিত করে।
যে ব্যক্তির দুনিয়াটাই হল একক উদ্দেশ্য, আল্লাহ তার প্রতিটি বিষয়কে বিশৃংখল করে দেন। দুচোখের সামনে শুধু অভাব-অনটন লাগিয়ে রাখেন। আর নির্ধারিত বস্তু ছাড়া দুনিয়ার কোন কিছুই তার কাছে আসে না। যে ব্যক্তির উদ্দেশ্য শুধুমাত্র আখেরাত, আল্লাহ তার প্রতিটি বিষয় সুশৃংখল করে দেন। তার অন্তরকে পরিতৃপ্ত করে দেন। আর দুনিয়ার সম্পদ তার সামনে লাঞ্ছিত অবস্থায় হাজির হয়।”
(হাদীছটি ইবনু হিব্বান (সহীহ) গ্রন্থে এবং বায়হাকী বাক্যগুলো কিছু আগে পিছে করে বর্ণনা করেন।)
(আর আবু দাউদ, তিরমিয়ী, নাসাঈ ও ইবনু মাজাহ হাদীছটির শুরু থেকে নিজেই জ্ঞানী নয়..। পর্যন্ত বর্ণনা করেন।)