All books

সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব (০ টি হাদীস)

ইলম বা বিদ্যা অধ্যায়

পরিচ্ছেদঃ

জ্ঞান লাভ করে আমল না করা এবং যা করে না তা বলার প্রতি ভীতি প্ৰদৰ্শনঃ

১২৩

সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব

অধ্যায় : ইলম বা বিদ্যা অধ্যায়

হাদীস নং : ১২৩


(صحيح) عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عِلْمٍ لَا يَنْفَعُ وَمِنْ قَلْبٍ لَا يَخْشَعُ وَمِنْ نَفْسٍ لَا تَشْبَعُ وَمِنْ دَعْوَةٍ لَا يُسْتَجَابُ لَهَا. رواه مسلم والترمذي والنسائي

যায়দ বিন আরক্বাম (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এই দু'আটি পাঠ করতেনঃ “হে আল্লাহ! তোমার কাছে আশ্রয় চাই এমন বিদ্যা থেকে যা উপকারে আসে না, এমন অন্তর থেকে যা ভীত হয় না, এমন আত্মা থেকে যা পরিতৃপ্ত হয় না এবং এমন দু’আ থেকে যা কবুল হয় না।”
(হাদীছটি ইমাম মুসলিম, তিরমিযী ও নাসাঈ প্রমূখ বৰ্ণনা করেছেন)

১২৪

সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব

অধ্যায় : ইলম বা বিদ্যা অধ্যায়

হাদীস নং : ১২৪


(صحيح) وَعَنْ أساَمَةَ بنِ زَيْدٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أنه سَمِعَ رَسُوْلَ الله صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ: يُجَاءُ بِالرَّجُلِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَيُلْقَى فِي النَّارِ فَتَنْدَلِقُ أَقْتَابُهُ فِي النَّارِ فَيَدُورُ كَمَا يَدُورُ الْحِمَارُ بِرَحَاهُ فَيَجْتَمِعُ أَهْلُ النَّارِ عَلَيْهِ فَيَقُولُونَ أَيْ فُلَانُ مَا شَأْنُكَ أَلَسْتَ كُنْتَ تَأْمُرُ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَى عَنْ الْمُنْكَرِ قَالَ كُنْتُ آمُرُكُمْ بِالْمَعْرُوفِ وَلَا آتِيهِ وَأَنْهَاكُمْ عَنْ الْمُنْكَرِ وَآتِيهِ. (رواه البخاري والبيهقي)

উসামা বিন যায়দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে একথা বলতে শুনেছেনঃ “ক্বিয়ামত দিবসে জনৈক ব্যক্তিকে (যে জ্ঞান অনুযায়ী আমল করত না তাকে) নিয়ে আসা হবে, অতঃপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে, তাতে তার পেটের নাড়ি-ভুঁড়ি বের হয়ে আসবে, তারপর তা নিয়ে সে ঘুরতে থাকবে যেমন গাধা যাঁতা নিয়ে ঘুরতে থাকে। তখন জাহান্নামবাসীগণ তার কাছে একত্রিত হয়ে জিজ্ঞেস করবেঃ ওহে উমুক! কি ব্যাপার তোমার? তুমি না সৎকাজের আদেশ করতে এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করতে? সে বলবেঃ হ্যাঁ, আমি সৎকাজের আদেশ করতাম কিন্তু নিজে তা করতাম না। অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করতাম কিন্তু আমি নিজেই তা করতাম।”
(হাদীছটি বর্ণনা করেছেন ইমাম বুখারী ও বাইহাকী)

১২৫

সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব

অধ্যায় : ইলম বা বিদ্যা অধ্যায়

হাদীস নং : ১২৫


(صحيح) قال وإنِّيْ سَمِعْتُهُ يَقُوْلُ يَعْنِيْ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، مَرَرْتُ لَيْلَةَ أُسْرِيَ بِيَ عَلَى بِأقْوامٍ تُقْرَضُ شِفَاهُهُمْ بِمَقَارِيضَ مِنْ نارٍ قُلْتُ: مَنْ هَؤُلَاءِ ياَ جِبْرِيْلُ؟ قَالَ: خُطَبَاءُ الَّذِينَ يَقُولُونَ مَا لَا يَفْعَلُونَ. رواه البخاري ومسلم واللفظ له ورواه ابن أبي الدنيا وابن حبان والبيهقي من حديث أنس

বর্ণনাকারী থেকে বর্ণিতঃ

তিনি [১] আরো বলেনঃ আমি শুনেছি তিনি- অর্থাৎ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরো বলেছেনঃ “মে'রাজের রাতে আমি একদল লোকের নিকট দিয়ে অতিক্রম করেছি। যাদের ঠোঁটগুলো আগুনের কেঁচি দ্বারা কাটা হচ্ছিল। আমি জিজ্ঞেস করেছি এরা কারা হে জিবরীল? তিনি বলেছেনঃ এরা আপনার উম্মতের বক্তাশ্রেণী। তারা এমন কথা বলতো যা নিজেরা আমল করতো না।”

(বুখারী ও মুসলিম) হাদীছের বাক্য মুসলিমের। [২]

হাদীছটি [৩] ইবনে আবী দুনিয়া, ইবনে হিব্বান ও বায়হাক্বী আনাস (রাঃ)এর বরাতে বর্ণনা করেছেন। ইবনে আবী দুনিয়া ও বায়হাক্বী তাদের বর্ণনায় নিম্নের কথাটি বৃদ্ধি করেনঃ (আরবি) “তারা আল্লাহর কিতাব পাঠ করতো কিন্তু তার প্রতি আমল করতো না।”

[১] শায়খ আলবানী বলেনঃ একথায় বুঝা যায় যে, এ হাদীছটিও উসামা বিন যায়দ বর্ণনা করেছেন। কিন্তু আসলে তা নয়; বরং উহা বৰ্ণনা করেছেন আনাস বিন মালেক (রাঃ)।
[২] শায়খ আলবানী বলেনঃ লিখক বুঝাতে চেয়েছেন যে পূর্বের হাদীছটি এবং এটি বুখারী ও মুসলিমের বর্ণনা। একথা সঠিক নয়। পূর্বেরটি বুখারী ও মুসলিমের ঠিকই কিন্তু তার বাক্য বুখারী থেকে চয়ন করা হয়েছে। আর দ্বিতীয় হাদীছটি বর্ণনা করেছেন ইমাম আহমাদ ও ইবনে হিব্বান।
[৩] অর্থাৎ আনাস বিন মালেক (রাঃ) বর্ণিত মেরাজের হাদীছটি।

১২৬

সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব

অধ্যায় : ইলম বা বিদ্যা অধ্যায়

হাদীস নং : ১২৬


(صحيح) وَعَنْ أَبِيْ بَرْزَةَ الْأَسْلَمِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَزُولُ قَدَمَا عَبْدٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ حَتَّى يُسْأَلَ عَنْ عُمُرِهِ فِيمَا أَفْنَاهُ وَعَنْ عِلْمِهِ فِيمَ فَعَلَ وَعَنْ مَالِهِ مِنْ أَيْنَ اكْتَسَبَهُ وَفِيمَ أَنْفَقَهُ وَعَنْ جِسْمِهِ فِيمَ أَبْلَاهُ. رواه الترمذي وقال حديث حسن صحيح

আবু বরযা আল আসলামী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “ক্বিয়ামত দিবসে কোন বান্দার পদদ্বয় টলবে না যতক্ষণ তাকে নিম্ন লিখিত বিষয়গুলো প্রশ্ন না করা হবেঃ তার বয়স সম্পর্কে কিভাবে তা শেষ করেছে। তার জ্ঞান সম্পর্কে তা দ্বারা কি আমল করেছে? তার সম্পদ সম্পর্কে কিভাবে তা উপার্জন করেছে এবং কোথায় তা ব্যয় করেছে? এবং তার শরীর সম্পর্কে কিভাবে তা বিনষ্ট করেছে।"
(ইমাম তিরমিয়ী হাদীছটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেনঃ হাদীছটি হাসান ছহীহ)

১২৭

সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব

অধ্যায় : ইলম বা বিদ্যা অধ্যায়

হাদীস নং : ১২৭


(صحيح) ورواه البيهقي وغيره من حديث معاذ بن جبل عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قال ماَ تُزاَلُ قَدَمَا عَبْدٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ حَتَّى يُسْأَلَ عَنْ أَرْبَعٍ: عَنْ عُمْرِهِ فِيمَا أَفْنَاهُ، وَعَنْ شَبَابِهِ فِيمَ أَبْلَاهُ وَمَالِهِ مِنْ أَيْنَ اكْتَسَبَهُ وَفِيمَ أَنْفَقَهُ وَعَنْ عِلْمِهِ ماَذَا عَمِلَ فِيْهِ؟

মুআ’য বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

হাদীছটি বায়হাক্বী প্রমূখ মুআ’য বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ “ক্বিয়ামত দিবসে বান্দার পদদ্বয় নড়বে না যে পর্যন্ত তাকে চারটি বিষয়ে জিজ্ঞাসা না করা হয়ঃ (১) তার বয়স সম্পর্কে কিভাবে তা লয় করেছে। (২) তার যৌবন সম্পর্কে কিভাবে তাকে পুরাতন করেছে। (৩) তার সম্পদ সম্পর্কে কিভাবে তা উপার্জন করেছে? এবং কোন পথে তা খরচ করেছে। (৪) আর তার বিদ্যা সম্পর্কে তা দ্বারা কি আমল করেছে?”

১২৮

সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব

অধ্যায় : ইলম বা বিদ্যা অধ্যায়

হাদীস নং : ১২৮


(حسن لغيره) وَعَنْ ابْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَزُولُ قَدَما ابْنِ آدَمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ حَتَّى يُسْأَلَ عَنْ خَمْسٍ عَنْ عُمُرِهِ فِيمَ أَفْنَاهُ وَعَنْ شَبَابِهِ فِيمَ أَبْلَاهُ وَمَالِهِ مِنْ أَيْنَ اكْتَسَبَهُ وَفِيمَ أَنْفَقَهُ وَمَاذَا عَمِلَ فِيمَا عَلِمَ؟ رواه الترمذي أيضا والبيهقي وقال الترمذي حديث غريب

ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) “পাঁচটি বিষয়ে প্রশ্ন না করা পর্যন্ত ক্বিয়ামত দিবসে আদম সন্তানের পদদ্বয় নড়বে নাঃ (১) তার বয়স সম্পর্কে কিভাবে তা ক্ষয় করেছে। (২) তার যৌবন সম্পর্কে কিভাবে তা অতিবাহিত করেছে। (৩) তার সম্পদ সম্পর্কে কিভাবে তা উপার্জন করেছে? এবং (৪) কোন পথে তা খরচ করেছে। (৫) আর যা শিখেছে সে অনুযায়ী কি আমল করেছে?" (এ হাদীছটিও বর্ণনা করেছেন তিরমিযী ও বায়হাকী, তিরমিযী বলেন, হাদীছটি হাসান গরীব)

১২৯

সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব

অধ্যায় : ইলম বা বিদ্যা অধ্যায়

হাদীস নং : ১২৯


(صحيح لغيره موقوف) وَعَنْ لُقْماَنَ يَعْنِيْ ابن عاَمِرٍ قاَلَ: كَانَ أَبُوْ الدَّرْدَاءِ يَقُوْلُ:"إِنَّمَا أَخْشَى مِنْ رَبِّي يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَنْ يَدْعُوَنِيْ عَلَى رُؤُوْسِ الْخَلَائِقِ، فَيَقُولُ لِي: يَا عُوَيْمِرُ! فَأَقُولُ: لَبَّيْكَ رَبِّ، فَيَقُولُ: مَا عَمِلْتَ فِيمَا عَلِمْتَ؟" رواه البيهقي

লোক্বমান বিন আমের থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আবু দারদা (রাঃ) বলতেনঃ “ক্বিয়ামত দিবসে আমি আমার পালনকর্তকে ভয় করছি যে, তিনি আমাকে সকল সৃষ্টির সম্মুখে ডেকে বলবেনঃ হে উওয়াইমের! আমি বলবঃ লাব্বাইকা হে আমার পালনকর্তা! তখন তিনি বলবেনঃ যা শিক্ষা লাভ করেছে তদানুযায়ী কী আমল করেছিলে?”

(হাদীছটি বর্ণনা করেছেন বায়হাকী)

হাদিসের মানঃ সহিহ লিগাইরিহি মাওকুফ

১৩০

সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব

অধ্যায় : ইলম বা বিদ্যা অধ্যায়

হাদীস নং : ১৩০


(صحيح لغيره) وروي عن أبي بَرْزَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : مَثَلُ الَّذيِ يُعَلِّمُ النِّاسَ الخَيْرَ وَيَنْسَى نَفْسَهُ، مَثَلُ الْفَتِيْلَةِ، تُضِيءُ عَلَى النَّاسِ وَتَحْرِقُ نَفْسَهاَ. رواه البزار

আবু বারযা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি মানুষকে কল্যাণের শিক্ষা দান করে অথচ নিজের (আমলের) কথা ভুলে যায়; তার উদাহরণ হচ্ছে চেরাগের মত। চেরাগ মানুষকে আলো প্ৰদান করে ঠিকই কিন্তু নিজেকে জ্বলিয়ে দেয়। (অর্থাৎ মানুষ উপকৃত হয় ঠিকই, কিন্তু আমল না করার কারণে সে নিজের ক্ষতি সাধন করে)”
(এ হাদীছটি বর্ণনা করেছেন বাযযার)

১৩১

সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব

অধ্যায় : ইলম বা বিদ্যা অধ্যায়

হাদীস নং : ১৩১


(حسن )وَعَنْ جُنْدُبِ بن عَبْدِ اللَّهِ الأَزْدِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ صَاحِبِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قاَلَ: مَثَلُ الَّذِي يُعَلِّمُ النَّاسَ الْخَيْرَ ويَنْسَى نَفْسَهُ كَمَثَلِ السِّرَاجِ يُضِيءُ لِلنَّاسِ ويُحْرِقُ نَفْسَهُ. الحديث رواه الطبراني في الكبير

জুনদুব বিন আবদুল্লাহ আযদী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি ছিলেন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাহাবী। তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ “যে ব্যক্তি মানুষকে কল্যাণের শিক্ষা দান করে অথচ নিজে (আমলের) কথা ভুলে যায়; তার উদাহরণ হচ্ছে বাতির মত। যে বাতি মানুষকে আলো দেয় ঠিকই কিন্তু নিজেকে পুড়িয়ে দেয়।”
(ত্বাবরানী [কাবীর গ্রন্থে] হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

১৩২

সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব

অধ্যায় : ইলম বা বিদ্যা অধ্যায়

হাদীস নং : ১৩২


(صحيح) و عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : "إِنَّ أَخْوَفَ مَا أَخَافُ عَلَيْكُمْ بَعْدِي مُنَافِقٌ عَليِمُ اللِّسَانِ. رواه الطبراني في الكبير والبزار

ইমরান বিন হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “আমার পরে তোমাদের জন্য আমি সবচেয়ে বেশী ভয় করছি, প্রত্যেক বিজ্ঞ ভাষাবিদ মুনাফেককে।” (ত্বাবরানী [কাবীর গ্রন্থে] এবং বাযযার হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

১৩৩

সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব

অধ্যায় : ইলম বা বিদ্যা অধ্যায়

হাদীস নং : ১৩৩


উমার বিন খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

উক্ত হাদীছটি ইমাম আহমাদ উমার বিন খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।