All books

রিয়াদুস সলেহিন (০ টি হাদীস)

১৮ নিষিদ্ধ বিষয়াবলী ১৫১৯ - ১৮১৬

পরিচ্ছেদ - ৩১৪

গায়রুল্লাহর নামে শপথ করা নিষেধ

১৭১৬

রিয়াদুস সলেহিন

অধ্যায় : নিষিদ্ধ বিষয়াবলী

হাদীস নং : ১৭১৬


عَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: إِنَّ الله تَعَالَى يَنْهَاكُمْ أَنْ تَحْلِفُوا بِآبَائِكُمْ، فَمَنْ كَانَ حَالِفاً، فَلْيَحْلِفْ بِاللهِ، أَوْ لِيَصْمُتْ . متفق عَلَيْهِ
وَفِي رِوَايَةٍ فِي الصَّحِيحِ : فَمَنْ كَانَ حَالِفاً فَلاَ يَحْلِفْ إِلاَّ بِاللهِ، أَوْ لِيَسْكُتْ

ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা তোমাদেরকে তোমাদের বাপ-দাদার নামে শপথ করতে নিষেধ করেছেন। সুতরাং যে শপথ করতে চায়, সে যেন আল্লাহর নামে শপথ করে; নচেৎ চুপ থাকে।’’

(সহীহুল বুখারী ২৬৭৯, ৩৮৩৬, ৬১০৮, ৬৬৪৬, ৬৬৪৭, ৬৬৪৮, ৭৪০১, মুসলিম ১৬৪৬, তিরমিযী ১৫৩৩, ১৫৩৪, ১৫৩৫, নাসায়ী ৩৭৬৬-৩৭৬৮, আবূ দাউদ ৩২৪৯, ইবনু মাজাহ ২০৯৪, আহমাদ ৪৫০৯, ৪৫৩৪, ৪৫৭৯, ৪৬৫৩, ৪৬৮৯, ১৮৮৬, ৫৩৫২, ৫৪৩৯, ৫৫৬৮, ৫৭০২, ৬০৩৬, ৬২৫২, মুওয়াত্তা মালিক ১০৩৭, দারেমী ২৩৪১)

১৭১৭

রিয়াদুস সলেহিন

অধ্যায় : নিষিদ্ধ বিষয়াবলী

হাদীস নং : ১৭১৭


وَعَنْ عَبْدِ الرَّحمنِ بنِ سَمُرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لاَ تَحْلِفُوا بِالطَّوَاغِي، وَلاَ بِآبَائِكُمْ» . رواه مسلم

আব্দুর রহমান ইবনে সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘তোমরা তাগূত (শয়তান ও মূর্তি)র নামে শপথ করো না এবং তোমাদের বাপ-দাদার নামেও না।’’

(মুসলিম ১৬৪৮, নাসায়ী ৩৭৭৪, ইবনু মাজাহ ২০৯৫, আহমাদ ২০১০১)

১৭১৮

রিয়াদুস সলেহিন

অধ্যায় : নিষিদ্ধ বিষয়াবলী

হাদীস নং : ১৭১৮


وَعَنْ بُريدَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهُ : أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: مَنْ حَلَفَ بِالأَمَانَةِ فَلَيْسَ مِنَّا. حديث صحيح، رواه أَبُو داود بإسناد صحيح

বুরাইদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি আমানতের কসম খাবে, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।’’

(আবূ দাউদ ৩২৫৩, আহমাদ ২২৪৭১ )

১৭১৯

রিয়াদুস সলেহিন

অধ্যায় : নিষিদ্ধ বিষয়াবলী

হাদীস নং : ১৭১৯


وَعَنْه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ حَلَفَ فَقَالَ: إِنِّي بَرِيءٌ مِنَ الإِسْلاَمِ، فَإِنْ كَانَ كَاذِباً، فَهُوَ كَمَا قَالَ، وَإِنْ كَانَ صَادِقاً، فَلَنْ يَرْجِعَ إِلَى الإِسْلاَمِ سَالِماً». رواه أَبُو داود

উক্ত রাবী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি কসম খেয়ে বলল যে, ‘আমি ইসলাম হতে (দায়) মুক্ত।’ অতঃপর যদি (তাতে) সে মিথ্যাবাদী হয়, তাহলে তেমনি হবে, যেমন সে বলেছে। আর যদি সে (তাতে) সত্যবাদী হয়, তাহলে নিখুঁতভাবে ইসলামে কখনোই ফিরতে পারবে না।’’

(আবূ দাউদ ৩২৫৮, নাসায়ী ৩৭৭২, ইবনু মাজাহ ২১০০, আহমাদ ২২৪৯৭)

১৭২০

রিয়াদুস সলেহিন

অধ্যায় : নিষিদ্ধ বিষয়াবলী

হাদীস নং : ১৭২০


وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا: أَنَّهُ سَمِعَ رَجُلاً يَقُولُ: لاَ وَالكَعْبَةِ، فَقَالَ ابنُ عُمَرَ : لاَ تَحْلِفْ بَغَيْرِ اللهِ، فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ : «مَنْ حَلَفَ بِغَيرِ اللهِ، فَقَدْ كَفَرَ أَوْ أَشْرَكَ». رواه الترمذي، وقال :[ حديث حسن ]
وَفَسَّرَ بَعْض الْعُلَمَاء قوله : «كَفَرَ أو أَشْرَكَ» عَلَى التَّغْلِيْظ كَمَا رُوِيَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ قَالَ: " اَلرِّيَاءُ شِرْكٌ "

ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি একটি লোককে বলতে শুনলেন ‘না, কা’বার কসম!’ ইবনে উমার বললেন, ‘আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো কসম খেয়ো না। কেননা, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, ‘‘যে ব্যক্তি গায়রুল্লাহর নামে কসম করে, সে কুফরী অথবা শির্ক করে।’’

(হাদীসটি সহীহ্। আমি [আলবানী] বলছিঃ মুসান্নিফ [রাহি] ‘‘রুবিয়া’’ শব্দ দ্বারা ইঙ্গিত করেছেন যে, হাদীসটির সনদ দুর্বল। আসলে তিনি যেরূপ বলেছেন সেরূপই। আমি ‘‘য‘ঈফা’’ গ্রন্থে [১৮৫০] এটির তাখরীজ করেছি এবং এর সমস্যা বর্ণনা করেছি [এ সব কথাগুলো পূর্বের]। কিন্তু তিনি পরবর্তীতে হাদীসটিকে সহীহ্ আখ্যা দিয়েছেন। দেখুন ‘‘সহীহ্ তারগীব অততারহীব’’ [২৯৫২], ‘‘সিলসিলাহ্ সহীহাহ্’’ [২০৪২], ‘‘সহীহ্ জামে‘উস সাগীর’’ [১৫৩৫], ‘‘ইরওয়াউল গালীল’’ [২৫৬১]। সহীহুল বুখারী ২৬৭৯, ৩৮৩৬, ৬১০৮, ৬৬৪৬, ৬৬৪৭, ৬৬৪৮, ৭৪০১, মুসলিম ১৬৪৬, তিরমিযী ১৫৩৩, ১৫৩৪, ১৫৩৫, নাসায়ী ৩৭৬৬-৩৭৬৮, আবূ দাউদ ৩২৪৯, ইবনু মাজাহ ২০৯৪, আহমাদ ৪৫০৯, ৪৫৩৪, ৪৫৭৯, ৪৬৫৩, ৪৬৮৯, ১৮৮৬, ৫৩৫২, ৫৪৩৯, ৫৫৬৮, ৫৭০২, ৬০৩৬, ৬২৫২, মুওয়াত্তা মালিক ১০৩৭, দারেমী ২৩৪১)
কোন কোন আলেমের ব্যাখ্যানুসারে শেষোক্ত বাক্যটি কঠোরতা ও কঠিন তাকীদ প্রদর্শনার্থে ব্যবহৃত হয়েছে। যেমন বর্ণনা করা হয় যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘রিয়া শির্ক।’’ (যার অর্থ ছোট শির্ক।)