All books

সুনানে ইবনে মাজাহ (০ টি হাদীস)

সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন ৮০৩ - ১৪৩২

৫/৮৮. অধ্যায়ঃ

জুমুআহ্‌র দিন লোকের ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনে যাওয়া নিষেধ।

১১১৫

সুনানে ইবনে মাজাহ

অধ্যায় : সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন

হাদীস নং : ১১১৫


حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ الْمُحَارِبِيُّ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَجُلاً، دَخَلَ الْمَسْجِدَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَرَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَخْطُبُ فَجَعَلَ يَتَخَطَّى النَّاسَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ اجْلِسْ فَقَدْ آذَيْتَ وَآنَيْتَ ‏"‏ ‏.‏

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

জুমুআহ্‌র দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খুতবারত অবস্থায় এক ব্যক্তি মাসজিদে প্রবেশ করলো। সে লোকের ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনে দিকে যাচ্ছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তুমি বসো, তুমি (অন্যকে) কষ্ট দিয়েছ এবং অনর্থক কাজ করেছ। [১১১৫]

[১১১৫] সহীহ। তাখরীজ আলবানী: তালীকুর রগীব ১/২৫৬। উক্ত হাদিসের রাবী ইসমাইল বিন মুসলিম সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল কাত্তান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ করেন। সুফইয়ান বিন উয়ায়নাহ বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, মুনকারুল হাদিস। ইবনু মাঈন বলেন, কোন সমস্যা নেই। আলী ইবনুল মাদীনী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহণযোগ্য নয়। আমর ইবনুল ফাল্লাস বলেন, হাদিস বর্ণনায় তিনি দুর্বল তাছাড়া তিনি হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। উক্ত হাদিসটি শাহিদ এর ভিত্তিতে সহিহ।

১১১৬

সুনানে ইবনে মাজাহ

অধ্যায় : সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন

হাদীস নং : ১১১৬


حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا رِشْدِينُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ زَبَّانَ بْنِ فَائِدٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ مُعَاذِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ مَنْ تَخَطَّى رِقَابَ النَّاسِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ اتُّخِذَ جِسْرًا إِلَى جَهَنَّمَ ‏"‏ ‏.‏

মুআয বিন আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, বসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমুআহ্‌র দিন লোকের ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনে অগ্রসর হয়েছে, (কিয়ামাতের দিন) তাকে জাহান্নামের পুল বানানো হবে। [১১১৬]

[১১১৬] তিরমিযী ৫১৩, আহমাদ ১৫১৮২। তাহক্বীক্ব আলবানী: যঈফ। তাখরীজ আলবানী: জামি সগীর ৫৫১৬ যঈফ, তিরমিযী ৫১৩ যঈফ, মিশকাত ১৩৯২, যঈফ তারগীব ৪৩৭, ইবনু খুযাইমাহ ১৮১০ হাসান। উক্ত হাদিসের রাবী ১. রিশদীন বিন সা'দ সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল তাকে দুর্বল বলেছেন। ইয়াহইয়া বিন মাঈন তার থেকে হাদিস লিপিবদ্ধ করেন নি। আমর ইবনুল ফাল্লাস ও আবু যুরআহ আর-রাযী তাকে দুর্বল বলেছেন। আবু হাতিম আর-রাযী মুনকারুল হাদিস ও তার মাঝে অমনোযোগিতার কথা উল্লেখ করেছেন। ২. যাব্বান বিন ফায়িদ সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তার থেকে একাধিক মুনকার হাদিস বর্ণিত হয়েছে। ইয়াহইয়া বিন মাঈন তাকে দুর্বল বলেছেন। ইবনু হিব্বান তাকে মুনকার বলেছেন। ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি দুর্বল।