All books

সুনানে ইবনে মাজাহ (০ টি হাদীস)

৩৭ পার্থিব ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি ৪১০০ - ৪৩৪১

৩১/৩৩. অধ্যায়ঃ

পুনরুত্থানের আলোচনা

৪২৭৩

সুনানে ইবনে মাজাহ

অধ্যায় : পার্থিব ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি

হাদীস নং : ৪২৭৩


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ، عَنْ حَجَّاجٍ، عَنْ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إِنَّ صَاحِبَىِ الصُّورِ بِأَيْدِيهِمَا - أَوْ فِي أَيْدِيهِمَا - قَرْنَانِ يُلاَحِظَانِ النَّظَرَ مَتَى يُؤْمَرَانِ ‏"‏ ‏.‏

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শিংগাধারী দু’ ফেরেশতা তাদের দু’ হাতে দু’টি শিংগা নিয়ে অপেক্ষায় আছেন, কখন তাদের প্রতি (ফুৎকারের) নির্দেশ আসে। [৩৬০৫]

তাহকীক আলবানীঃ মুনকার তবে (আরবি) শব্দে মাহফূয।

[৩৬০৫] হাদীসটি একক ভাবে ইমাম ইবনু মাজাহ বর্ণনা করেছেন। সহীহাহ ১০৭৯।দঈফ আল-জামি ১৮৭২।
উক্ত হাদীসের রাবী ১ হাজ্জাজ সম্পর্কে আবূ আহমাদ আল-হাকিম বলেন,তিনি আহলে ইলমের কাছে নির্ভরযোগ্য নয়।আবূ বাকর আল-বায়হাকী বলেন,তার হাদীস দলিল দ্বারা গ্রহনযোগ্য নয়।অন্যত্র তিনি তাকে দূর্বল বলেছেন।আবূ যুররাহ আর রাযী বলেন,তিনি সত্যবাদী তবে হাদীস বর্ণনায় তাদলীস করেন।মুহাম্মদ বিন সা’দ তাকে দূর্বল বলেছেন।আহমাদ বিন শুয়াওব আন নাসায়ী বলেন,তিনি দূর্বল,তার হাদীস দলিল দ্বারা গ্রহণযোগ্য নয়। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১১১২,৫/৪২০ নং পৃষ্ঠা) ২.আতিয়্যাহ সম্পর্কে আবূ বাকর আল-বায়হাকী বলেন,তিনি দূর্বল,তারা হাদীস গ্রহনযোগ্য নয়। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন,তিনি দূর্বল। আবূ যূরআহ আর-রাযী বলেন,তিনি যাচাই বাছাই ছাড়া হাদীস গ্রহণ করেন ও তা বর্ণনা করেন।আহমাদ বিন হাম্বল বলেন,তিনি হাদীস বর্ণনায় দূর্বল। আহমাদ বিন শুয়াওব আন নাসায়ী বলেন,তিনি দূর্বল। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন,তিনি সত্যবাদী তবে হাদীস বর্ণনায় অধিক ভূল করেন।ইমাম যাহাবী ও ইমাম দারাকুতনী বলেন,তিনি দূর্বল (তাহযীবুল কামাল ৩৯৫৬,২০/১৪৫ পৃষ্ঠা)

৪২৭৪

সুনানে ইবনে মাজাহ

অধ্যায় : পার্থিব ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি

হাদীস নং : ৪২৭৪


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَجُلٌ مِنَ الْيَهُودِ بِسُوقِ الْمَدِينَةِ وَالَّذِي اصْطَفَى مُوسَى عَلَى الْبَشَرِ ‏.‏ فَرَفَعَ رَجُلٌ مِنَ الأَنْصَارِ يَدَهُ فَلَطَمَهُ قَالَ تَقُولُ هَذَا وَفِينَا رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَذُكِرَ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَقَالَ ‏"‏ قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ ‏{وَنُفِخَ فِي الصُّورِ فَصَعِقَ مَنْ فِي السَّمَوَاتِ وَمَنْ فِي الأَرْضِ إِلاَّ مَنْ شَاءَ اللَّهُ ثُمَّ نُفِخَ فِيهِ أُخْرَى فَإِذَا هُمْ قِيَامٌ يَنْظُرُونَ}‏ فَأَكُونُ أَوَّلَ مَنْ رَفَعَ رَأْسَهُ فَإِذَا أَنَا بِمُوسَى آخِذٌ بِقَائِمَةٍ مِنْ قَوَائِمِ الْعَرْشِ فَلاَ أَدْرِي أَرَفَعَ رَأْسَهُ قَبْلِي أَوْ كَانَ مِمَّنِ اسْتَثْنَى اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ ‏.‏ وَمَنْ قَالَ أَنَا خَيْرٌ مِنْ يُونُسَ بْنِ مَتَّى فَقَدْ كَذَبَ ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

মদীনার বাজারে এক ইহূদী বললো, সেই সত্তার শপথ যিনি মূসা (আঃ) কে সমগ্র মানবজাতির উপর মর্যাদা দান করেছেন। এক আনসারী তার হাত তুলে তাকে সজোরে চড় মেরে বললো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে থাকা অবস্থায় তুমি একথা বলছো! বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট পেশ করা হলে তিনি বলেনঃ মহান আল্লাহ বলেছেনঃ “এবং শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হবে। ফলে যাদের আল্লাহ ইচ্ছা করবেন তারা ব্যতিত আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সকলে মুর্ছিত হয়ে পড়বে। অতঃপর পুনরায় শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হবে, তৎক্ষণাৎ তারা দন্ডায়মান হয়ে তাকাতে থাকবে” (সূরা যুমারঃ ৬৮)। আমি হবো মাথা উত্তোলনকারী প্রথম ব্যক্তি। আমি মূসা আলাইহিস সালামকে আরশের একটি পায়া ধরে আঁকরে ধরা অবস্থায় দেখতে পাবো। আমি জানি না, তিনি কি আমার আগে তাঁর মাথা তুলেছেন, না আল্লাহ তাআলা তাকে অজ্ঞান হওয়া থেকে রক্ষা করেছেন। আর যে ব্যক্তি বলে যে, আমি ইউনুস বিন মাত্তা আলাইহিস সালাম অপেক্ষা উত্তম, সে মিথ্যা বলে।[৩৬০৬]

তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

[৩৬০৬] মুসলিম ২৩৭৩।

৪২৭৫

সুনানে ইবনে মাজাহ

অধ্যায় : পার্থিব ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি

হাদীস নং : ৪২৭৫


حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مِقْسَمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ يَقُولُ ‏ "‏ يَأْخُذُ الْجَبَّارُ سَمَوَاتِهِ وَأَرَضِيهِ بِيَدِهِ - وَقَبَضَ يَدَهُ فَجَعَلَ يَقْبِضُهَا وَيَبْسُطُهَا - ثُمَّ يَقُولُ أَنَا الْجَبَّارُ أَنَا الْمَلِكُ أَيْنَ الْجَبَّارُونَ أَيْنَ الْمُتَكَبِّرُونَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَيَتَمَايَلُ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنْ يَمِينِهِ وَعَنْ شِمَالِهِ حَتَّى نَظَرْتُ إِلَى الْمِنْبَرِ يَتَحَرَّكُ مِنْ أَسْفَلِ شَىْءٍ مِنْهُ حَتَّى إِنِّي لأَقُولُ أَسَاقِطٌ هُوَ بِرَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ

আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছিঃ মহাপ্রতাপশালী আল্লাহ তাঁর আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীকে তাঁর হাতের মুঠোয় পুরে নিয়ে তা মুষ্টিবদ্ধ করবেন, অতঃপর তা সংকুচিত ও প্রসারিত করতে থাকবেন, অতঃপর বলবেন, আমিই মহাপ্রতাপশালী, আমিই রাজাধিরাজ। প্রতাপশালী দাম্ভিকেরা কোথায়? রাবী বলেন, এ কথা বলতে বলতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ডানে বামে ঝুঁকছিলেন। শেষে আমি লক্ষ্য করলাম যে, মিম্বারের নিম্নাংশ তাকে নিয়ে দুলছে, এমনকি আমি বলতে লাগলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বার থেকে নিচে পড়ে যান কিনা।[৩৬০৭]

তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

[৩৬০৭] মুসলিম ২৭৮৮। আয যিলাল ৫৪৬।

৪২৭৬

সুনানে ইবনে মাজাহ

অধ্যায় : পার্থিব ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি

হাদীস নং : ৪২৭৬


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ، عَنْ حَاتِمِ بْنِ أَبِي صَغِيرَةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنِ الْقَاسِمِ، قَالَ قَالَتْ عَائِشَةُ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ يُحْشَرُ النَّاسُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ قَالَ ‏"‏ حُفَاةً عُرَاةً ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ وَالنِّسَاءُ قَالَ ‏"‏ وَالنِّسَاءُ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَمَا يُسْتَحْيَى قَالَ ‏"‏ يَا عَائِشَةُ الأَمْرُ أَشَدُّ مِنْ أَنْ يَنْظُرَ بَعْضُهُمْ إِلَى بَعْضٍ ‏"‏ ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! কিয়ামতের দিন হাশরের ময়দানে মানবজাতিকে কী অবস্থায় সমবেত করা হবে? তিনি বলেনঃ নগ্নপদে উলংগ বদনে। আমি বললাম, নারীরাও? তিনি বলেনঃ নারীরাও। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এতে কি আমরা লজ্জিত হবো না? তিনি বলেনঃ হে আয়িশাহ! তখনকার অবস্থা হবে খুবই ভয়ংকর। কেউ কারো প্রতি দৃষ্টিপাত করার মত অবস্থায় থাকবে না। [৩৬০৮]

তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

[৩৬০৮] সহীহুল বুখারী ৬৫২৭,মুসলিম ২৮৫৯,নাসায়ী ২০৮৩,২০৮৪,আহমাদ ২৩৭৪৪,২৪০৬৭।

৪২৭৭

সুনানে ইবনে মাজাহ

অধ্যায় : পার্থিব ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি

হাদীস নং : ৪২৭৭


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ عَلِيِّ بْنِ رِفَاعَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ يُعْرَضُ النَّاسُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ثَلاَثَ عَرَضَاتٍ فَأَمَّا عَرْضَتَانِ فَجِدَالٌ وَمَعَاذِيرُ وَأَمَّا الثَّالِثَةُ فَعِنْدَ ذَلِكَ تَطِيرُ الصُّحُفُ فِي الأَيْدِي فَآخِذٌ بِيَمِينِهِ وَآخِذٌ بِشِمَالِهِ ‏"‏ ‏.‏

আবূ মূসা আল-আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন মানুষকে তিনবার পেশ করা হবে। প্রথম দু’বার বাক-বিতন্ডা ও ওজর-আপত্তি পেশের জন্য। তৃতীয়বারে প্রত্যেকের আমলনামা উড়ে এসে হাতের নাগালে পৌঁছবে এবং কেউ তা ডান হাতে, কেউ তা বাম হাতে গ্রহণ করবে।[৩৬০৯]

তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।

[৩৬০৯] [আহমাদ ১৯২১৬। তাখরীজুত তাহাবীয়াহ ৫৫৬, মিশকাত ৫৫৫৭, ৫৫৫৮।

৪২৭৮

সুনানে ইবনে মাজাহ

অধ্যায় : পার্থিব ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি

হাদীস নং : ৪২৭৮


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، وَأَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏{يَوْمَ يَقُومُ النَّاسُ لِرَبِّ الْعَالَمِينَ}‏ قَالَ ‏"‏ يَقُومُ أَحَدُهُمْ فِي رَشْحِهِ إِلَى أَنْصَافِ أُذُنَيْهِ ‏"‏ ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) , থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) “যেদিন মানবজাতি জগতসমূহের প্রতিপালকের সম্মুখে দাঁড়াবে” (সূরা মুতাফফিফীনঃ ৬) শীর্ষক আয়াত সম্পর্কে বলেনঃ তাদের এক একজন নিজ দেহ নিঃসৃত ঘামের মধ্যে দু’ কান বরাবর ডুবন্ত অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকবে।[৩৬১০]

তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

[৩৬১০][সহীহুল বুখারী ৪৯৩৮, মুসলিম ২৮৬২, তিরমিযী ২৪২২, ৩৩৩৫, ৩৩৩৬, আহমাদ ৪৫৯৯, ৪৬৮৩, ৫২৯৬, ৫৩৬৫, ৫৭৮৯, ৫৮৭৬, ৬০৩৯, ৬০৫০।

৪২৭৯

সুনানে ইবনে মাজাহ

অধ্যায় : পার্থিব ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি

হাদীস নং : ৪২৭৯


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ دَاوُدَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنْ قَوْلِهِ ‏{يَوْمَ تُبَدَّلُ الأَرْضُ غَيْرَ الأَرْضِ وَالسَّمَوَاتُ ‏}‏ فَأَيْنَ تَكُونُ النَّاسُ يَوْمَئِذٍ قَالَ ‏"‏ عَلَى الصِّرَاطِ ‏"‏ ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট “যেদিন এই পৃথিবী পরিবর্তিত হয়ে অন্য পৃথিবী হবে এবং আকাশমন্ডলীও” (সূরা ইবরাহীমঃ ৪৮) শীর্ষক আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, সেদিন মানুষ কোথায় থাকবে? তিনি বলেনঃ পুলসিরাতের উপর।[৩৬১১]

তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

[৩৬১১] [মুসলিম ২৭৯১, তিরমিযী ৩১২১, আহমাদ ২৩৫৪৯, ২৪১৭৬, ২৪৫০২, ২৫৩০০, দারিমী ২৮০৯।]

৪২৮০

সুনানে ইবনে মাজাহ

অধ্যায় : পার্থিব ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি

হাদীস নং : ৪২৮০


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَبْدٍ الْعُتْوَارِيِّ، أَحَدِ بَنِي لَيْثٍ - قَالَ - وَكَانَ فِي حَجْرِ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ سَمِعْتُهُ - يَعْنِي أَبَا سَعِيدٍ، - يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقُولُ ‏ "‏ يُوضَعُ الصِّرَاطُ بَيْنَ ظَهْرَانَىْ جَهَنَّمَ عَلَى حَسَكٍ كَحَسَكِ السَّعْدَانِ ثُمَّ يَسْتَجِيزُ النَّاسُ فَنَاجٍ مُسَلَّمٌ وَمَخْدُوجٌ بِهِ ثُمَّ نَاجٍ وَمُحْتَبَسٌ بِهِ وَمَنْكُوسٌ فِيهَا ‏"‏ ‏.‏

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পুলসিরাত জাহান্নামের দু’ তীরের সাথে যুক্ত থাকবে। তাতে থাকবে সাদান বৃক্ষের কাঁটা সদৃশ কাঁটাসমূহ। লোকজন তার উপর দিয়ে অতিক্রম করবে। কতক মুসলমান নিরাপদে তার উপর দিয়ে অতিক্রম করবে, কতক কাঁটার আঁচড় খেয়ে, কতক কাঁটায় বিদ্ধ হয়ে থাকার পর নাজাত পাবে এবং কতক মুখ থুবড়ে জাহান্নামের তলদেশে নিক্ষিপ্ত হবে।[৩৬১২]

তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

[৩৬১২] [আহমাদ ১০৬৯৩।

৪২৮১

সুনানে ইবনে মাজাহ

অধ্যায় : পার্থিব ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি

হাদীস নং : ৪২৮১


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ، عَنْ أُمِّ مُبَشِّرٍ، عَنْ حَفْصَةَ، قَالَتْ قَالَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ إِنِّي لأَرْجُو أَلاَّ يَدْخُلَ النَّارَ أَحَدٌ إِنْ شَاءَ اللَّهُ تَعَالَى مِمَّنْ شَهِدَ بَدْرًا وَالْحُدَيْبِيَةَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلَيْسَ قَدْ قَالَ اللَّهُ ‏{وَإِنْ مِنْكُمْ إِلاَّ وَارِدُهَا كَانَ عَلَى رَبِّكَ حَتْمًا مَقْضِيًّا}‏ قَالَ ‏"‏ أَلَمْ تَسْمَعِيهِ يَقُولُ ‏{ثُمَّ نُنَجِّي الَّذِينَ اتَّقَوْا وَنَذَرُ الظَّالِمِينَ فِيهَا جِثِيًّا}‏ ‏.‏

হাফসাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি অবশ্যই আশা করি আল্লাহর মর্জি যারা বদর ও হুদায়বিয়ার প্রান্তরে উপস্থিত ছিল তাদের কেউ জাহান্নামে যাবে না। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তা’আলা কি বলেননিঃ “এবং তোমাদের প্রত্যেকেই তা অতিক্রম করবে, এটা তোমার প্রভুর অনিবার্য সিদ্ধান্ত” (সূরা মরিয়মঃ ৭১)? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তুমি কি শোননি যে, আল্লাহ বলেছেনঃ “পরে আমি মোত্তাকীদের উদ্ধার করবো এবং যালেমদের সেথায় নতজানু অবস্থায় রেখে দিবো” (সূরা মরিয়মঃ ৭২)।[৩৬১৩]

তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

[৩৬১৩] [হাদীসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। সহীহ আল-জামি’ ২৪৮২।]