All books

সুনানে ইবনে মাজাহ (০ টি হাদীস)

পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ ২৬৭ - ৬৬৬

৬২. অধ্যায়ঃ

ঘুম থেকে উঠে উযু করা

৪৭৪

সুনানে ইবনে মাজাহ

অধ্যায় : পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ

হাদীস নং : ৪৭৪


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَنَامُ حَتَّى يَنْفُخَ ثُمَّ يَقُومُ فَيُصَلِّي وَلاَ يَتَوَضَّأُ ‏.‏ قَالَ الطَّنَافِسِيُّ قَالَ وَكِيعٌ تَعْنِي وَهُوَ سَاجِدٌ ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘুমিয়ে যেতেন, এমনকি তাঁর নাক ডাকতো। অতঃপর তিনি ঘুম থেকে উঠে সলাত আদায় করতেন এবং উযু করতেন না। আত-তানাফিসী (রহঃ) বলেন, ওয়াক্বী (রহঃ) বলেছেন, অর্থাৎ তিনি সাজদাহরত অবস্থায় (কখনো) ঘুমিয়ে যেতেন। [৪৭২]

[৪৭২] আহমাদ ২৪৫১৫ তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহাহ ২৯২৫।

৪৭৫

সুনানে ইবনে মাজাহ

অধ্যায় : পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ

হাদীস নং : ৪৭৫


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَامِرِ بْنِ زُرَارَةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ أَبِي زَائِدَةَ، عَنْ حَجَّاجٍ، عَنْ فُضَيْلِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ نَامَ حَتَّى نَفَخَ ثُمَّ قَامَ فَصَلَّى ‏.‏

আবদুল্লাহ্ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘুমাতেন, এমনকি তাঁর নাক ডাকতো। অতঃপর তিনি উঠে সলাত আদায় করতেন। [৪৭৩]

[৪৭৩] আহমাদ ৪০৪১ তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহাহ ২৯২৫।

৪৭৬

সুনানে ইবনে মাজাহ

অধ্যায় : পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ

হাদীস নং : ৪৭৬


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَامِرِ بْنِ زُرَارَةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي زَائِدَةَ، عَنْ حُرَيْثِ بْنِ أَبِي مَطَرٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبَّادٍ أَبِي هُبَيْرَةَ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ كَانَ نَوْمُهُ ذَلِكَ وَهُوَ جَالِسٌ ‏.‏ يَعْنِي النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এ ঘুম ছিল বসা অবস্থায়। [৪৭৪]

[৪৭৪] মুনকার। তাখরীজ আলবানী: সহীহ আবূ দাউদ ১২২৯। উক্ত হাদিসের রাবী হুরায়স বিন আবু মাতার সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। ইমাম বুখারী বলেন, তার মাঝে দুর্বলতা রয়েছে। আমর বিন ফাল্লাস বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল ও দুইটি হাদিস মুনকারভাবে বর্ণনা করেছেন। ইমাম নাসাঈ বলেন, তিনি সিকাহ নন।

৪৭৭

সুনানে ইবনে মাজাহ

অধ্যায় : পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ

হাদীস নং : ৪৭৭


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُصَفَّى الْحِمْصِيُّ، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ، عَنِ الْوَضِينِ بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ مَحْفُوظِ بْنِ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَائِذٍ الأَزْدِيِّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ ‏ "‏ الْعَيْنُ وِكَاءُ السَّهِ فَمَنْ نَامَ فَلْيَتَوَضَّأْ ‏"‏ ‏.

আলী বিন আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, চোখ হলো পশ্চাদদ্বারের বন্ধনস্বরূপ। অতএব যে ব্যক্তি ঘুমায় সে যেন উযু করে (যদি সলাত আদায় করতে চায়)। [৪৭৫]

[৪৭৫] আবূ দাঊদ ২০৩, আহমাদ ৮৮৯। তাহক্বীক্ব আলবানী: হাসান। তাখরীজ আলবানী: মিশকাত ৩১৬, ইরওয়াহ ১১৩। সহীহ্ আবূ, দাউদ ১৯৮। উক্ত হাদিসের রাবী মুহাম্মাদ ইবনুল মুসাফফা আল হিমশী সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী ও ইমাম নাসাঈ বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইবনু হিব্বান তাকে সিকাহ বললেও অন্যত্র বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল।

৪৭৮

সুনানে ইবনে মাজাহ

অধ্যায় : পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ

হাদীস নং : ৪৭৮


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ زِرٍّ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ عَسَّالٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَأْمُرُنَا أَنْ لاَ نَنْزِعَ خِفَافَنَا ثَلاَثَةَ أَيَّامٍ إِلاَّ مِنْ جَنَابَةٍ لَكِنْ مِنْ غَائِطٍ وَبَوْلٍ وَنَوْمٍ ‏.‏

সাফওয়ান বিন আসসাল (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে নাপাকির গোসল ব্যতীত তিন দিন পর্যন্ত মোজা না খোলার নির্দেশ দিয়েছেন, পায়খানা, পেশাব হলেও এবং ঘুমালেও। [৪৭৬]

[৪৭৬] তিরমিযী ৯৬, ৩৫৩৫; নাসায়ী ১২৬-২৭, ১৫৮-৫৯; আহমাদ ১৭৬২৩, ১৭৬২৮। তাহক্বীক্ব আলবানী: হাসান। তাখরীজ আলবানী: ইরওয়াহ ১০৪। উক্ত হাদিসের রাবী আসিম সম্পর্কে মুহাম্মাদ বিন সা'দ বলেন, তিনি সিকাহ তবে অধিক ভুল করেন। ইয়াকুব বিন সুফইয়ান তাকে সিকাহ বলেছেন। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, কোন সমস্যা নেই।