All books

হাদিস সম্ভার (০ টি হাদীস)

১১ জানাযা অধ্যায়

পরিচ্ছেদঃ

রোগের চিকিৎসা

১২৩৩

হাদিস সম্ভার

অধ্যায় : জানাযা অধ্যায়

হাদীস নং : ১২৩৩


عَنْ جَابِرٍ عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم أَنَّهُ قَالَ: لِكُلِّ دَاءٍ دَوَاءٌ فَإِذَا أُصِيبَ دَوَاءُ الدَّاءِ بَرَأَ بِإِذْنِ اللهِ عَزَّ وَجَلَّ

জাবের (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রত্যেক রোগের জন্য ঔষধ আছে। যখন রোগের সঠিক ওষুধ নিরূপিত হয়, তখন মহান আল্লাহর হুকুমে সে রোগটি সেরে ওঠে।” (মুসলিম ৫৮৭১)

১২৩৪

হাদিস সম্ভার

অধ্যায় : জানাযা অধ্যায়

হাদীস নং : ১২৩৪


عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُود عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّه قَالَ مَا أَنْزَلَ اللهُ دَاءً إِلَّا أَنْزَلَ لَهُ دَوَاءٌ

আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “এমন কোন রোগ নেই, আল্লাহ যার ওষুধ অবতীর্ণ করেন নি। (ইবনে মাজাহ ৩৪৩৮, সহীহুল জামে ৫৫৫৮)

১২৩৫

হাদিস সম্ভার

অধ্যায় : জানাযা অধ্যায়

হাদীস নং : ১২৩৫


عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم قَالَ إِنَّ اللهَ خَلَقَ الدَّاءَ وَالدَّوَاءَ فَتَدَاوَوْا، وَلاَ تَتَدَاووا بِحَرَامٍ

উম্মে দার্দা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিশ্চয় আল্লাহ রোগ ও ওষুধ সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং তোমরা চিকিৎসা কর। তবে হারাম কিছু দিয়ে চিকিৎসা করো না। (আল্লাহ হারামকৃত বস্তুর ভিতরে আরোগ্য রাখেন নি।)” (ত্বাবারানী ২০১১৬, সিঃ সহীহাহ ১৬৩৩)

১২৩৬

হাদিস সম্ভার

অধ্যায় : জানাযা অধ্যায়

হাদীস নং : ১২৩৬


عَنْ أَبِيْ أُمَامَةَ فال فال رسول الله صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم دَاوُوا مَرْضاكُمْ بالصَّدَقَةِ

আবু উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমরা তোমাদের রোগীদের চিকিৎসা সদকাহ দ্বারা কর।” (আবুশ শায়খ, সহীহুল জামে ৩৩৫৮)

১২৩৭

হাদিস সম্ভার

অধ্যায় : জানাযা অধ্যায়

হাদীস নং : ১২৩৭


وعن عطَاء بن أبي رَباحٍ قَالَ : قَالَ لي ابنُ عَباسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُما : ألاَ أُريكَ امْرَأةً مِنْ أَهْلِ الجَنَّة؟ فَقُلْتُ: بَلَى قَالَ: هذِهِ المَرْأةُ السَّودَاءُ أتَتِ النَّبيَّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم فَقَالَتْ : إنّي أُصْرَعُ، وإِنِّي أتَكَشَّفُ فادْعُ الله تَعَالَى لي قَالَ إنْ شئْتِ صَبَرتِ وَلَكِ الجَنَّةُ وَإنْ شئْتِ دَعَوتُ الله تَعَالَى أنْ يُعَافِيكِ فَقَالَتْ : أَصْبِرُ فَقَالَتْ: إنِّي أتَكَشَّفُ فَادعُ الله أنْ لا أَتَكَشَّف فَدَعَا لَهَا مُتَّفَقٌ عَلَيهِ

আত্বা ইবনে আবী রাবাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, একদা ইবনে আব্বাস (রাঃ) আমাকে বললেন, ‘আমি কি তোমাকে একটি জান্নাতী মহিলা দেখাব না!’ আমি বললাম, ‘হ্যাঁ!’ তিনি বললেন, ‘এই কৃষ্ণকায় মহিলাটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকটে এসে বলল যে, আমার মৃগী রোগ আছে, আর সে কারণে আমার দেহ থেকে কাপড় সরে যায়। সুতরাং আপনি আমার জন্য দু‘আ করুন।’ তিনি বললেন, “তুমি যদি চাও তাহলে সবর কর; এর বিনিময়ে তোমার জন্য জান্নাত রয়েছে। আর যদি চাও তাহলে আমি তোমার রোগ নিরাময়ের জন্য আল্লাহ তাআলার নিকটে দু‘আ করব।” স্ত্রীলোকটি বলল, ‘আমি সবর করব।’ অতঃপর সে বলল, ‘(রোগ উঠার সময়) আমার দেহ থেকে কাপড় সরে যায়, সুতরাং আপনি আল্লাহর কাছে দু‘আ করুন, যেন আমার দেহ থেকে কাপড় সরে না যায়।’ ফলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার জন্য দু‘আ করলেন। (বুখারী ৫৬৫২, মুসলিম ৬৭৩৬)

১২৩৮

হাদিস সম্ভার

অধ্যায় : জানাযা অধ্যায়

হাদীস নং : ১২৩৮


وَعَنْ سَعِيدِ بنِ زَيدٍ قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم يَقُوْلُ اَلكَمْأَةُ مِنَ المَنِّ وَمَاؤُهَا شِفَاءٌ لِلْعَيْنِ

সাঈদ ইবনে যায়েদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “ছত্রাক ‘মান্না’ -এর অন্তর্ভুক্ত আর এর রস চক্ষুরোগ নিরাময়কারী।” (বুখারী-মুসলিম)

* (প্রকাশ থাকে যে, বানী ইস্রাঈলের উপর ‘মান্না’ নামক খাদ্য (মধুর ন্যায় মিষ্ট বরফ বা পানি) আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ করা হত। যেহেতু তারা তা বিনা কষ্টে ও পরিশ্রমে লাভ করত সেহেতু ছত্রাককে তারই শ্রেণীভুক্ত বলা হয়েছে। কেননা, এটি বিনা কষ্টে ও বিনা যত্নে পাওয়া যায়।)

১২৩৯

হাদিস সম্ভার

অধ্যায় : জানাযা অধ্যায়

হাদীস নং : ১২৩৯


عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: خَيْرِ أَكْحَالِكُمُ الإِثْمِدُ وَيُنْبِتُ الشَّعْرَوَ يَجْلُو الْبَصَرَ.

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ সুর্মা হল ইষমিদ। তা চোখের পাতায় লোম উদ্‌গত করে এবং দৃষ্টিশক্তি উজ্জ্বল করে।” (বায্যার ৮৮১১, সঃ তারগীব ২১০৫)