All books

বুলুগুল মারাম (০ টি হাদীস)

পবিত্রতা ১-১৫০

পরিচ্ছেদ ৬০.

পুরুষাংগ স্পর্শে অযূ বিনষ্ট হয় না

৭২

বুলুগুল মারাম

অধ্যায় : পবিত্রতা

হাদীস নং : ৭২


وَعَنْ طَلْقِ بْنِ عَلِيٍّ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَجُلٌ: مَسَسْتُ ذَكَرِي أَوْ قَالَ: الرَّجُلُ يَمَسُّ ذَكَرَهُ فِي الصَّلَاةِ، أَعَلَيْهِ وُضُوءٌ? فَقَالَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم -: «لَا، إِنَّمَا هُوَ بَضْعَةٌ مِنْكَ» أَخْرَجَهُ الْخَمْسَةُ، وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ (1)،
وَقَالَ ابْنُ الْمَدِينِيِّ: هُوَ أَحْسَنُ مِنْ حَدِيثِ بُسْرَةَ.

ত্বালক্‌ বিন্‌ ‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, কোন এক সাহাবী (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বললেন, ‘আমি আমার লিঙ্গ স্পর্শ করে ফেলেছি অথবা বললেন, ‘যদি কেউ সলাতে তা স্পর্শ করে ফেলে, তবে এর কারণে কি তাকে উযু করতে হবে?’ নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘না, এটা তো তোমারই (শরীরের) একটি অংশ বিশেষ। -৫জন। আর ইবনু হিব্বান একে সহীহ্‌ বলেছেন [৯১] এবং ইব্‌নুল্‌ মাদানী (বুখারীর উস্তাদ) বলেন, বুস্‌রার হাদীস হতে এটি অধিক উত্তম।

[৯১] আবূ দাঊদ (১৮২, ১৮৩); নাসায়ী (১০১); তিরমিযী (৮৫); ইবনু মাজাহ (৪৮৩); আহমাদ (৪৩); ইবনু হিব্বান (২০৭ মাওয়ারেদ)। কিন্তু এ হাদীসটি স্পষ্টতঃ মানসূখ তথা রহিত হয়ে গেল। যখন ইবনু হাযম তাঁর ‘মুহাল্লা’য় (১৩৯) কত সুন্দর কথা বলেছেন যে, এ তালক রাবীর হাদীস সহীহ তবে তাদের কথার দুটি দিক দিয়ে সঠিক নয়। ১। এ হাদীসটি লজ্জাস্থান স্পর্শ করার নির্দেশ বর্ণিত হওয়ার পূর্বেকার সময়ের সাথে সামঞ্জ্যপূর্ণ। এতে কোন সন্দেহ নেই। বিষয় যদি এমনই হয়ে থাকে তবে এ হাদীস রহিত হওয়াতে কোন সন্দেহ নেই যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লজ্জাস্থান স্পর্শ করার কারণে ওযু করার নির্দেশ প্রদান করেছেন। ফলে কোন বিষয়ের রহীতকারী হওয়ার দৃঢ় বিশ্বাস হতে তা বর্জন করা এবং যা মানসূখ বা রহিত হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় বিশ্বাস অর্জিত হয় তা গ্রহণ করা বৈধ নয়। ২। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কথাঃ এটা তো তোমারই (শরীরের) একটি অংশ বিশেষ।” লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ করার বিধান দেয়ার পূর্বের উক্তি হওয়ার ব্যাপারে স্পষ্ট দলীল। কেননা তা পরবর্তীকালের বিষয় হতো তবে রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন কথা বলতেন না। বরং এ থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, এ কথাটি রহিত হয়ে গেছে। লজ্জাস্থান যে, “অন্যান্য অঙ্গের মত” কথার পূর্বে এ বিষয়ে মূলতঃ কোন হুকুমই বর্ণিত হয়নি।