All books

সহিহ বুখারী (৭২৭৫ টি হাদীস)

৯১ স্বপ্নের ব্যখ্যা প্রদান ৬৯৮২ - ৭০৪৭

৯১/৪৬. অধ্যায় :

পছন্দনীয় নয় স্বপ্নে এমন কিছু দেখলে তা কারো কাছে না বলা এবং সে সম্পর্কে কোন আলোচনা না করা ।

৭০৪৪

সহিহ বুখারী

অধ্যায় : স্বপ্নের ব্যখ্যা প্রদান

হাদীস নং : ৭০৪৪


سَعِيدُ بْنُ الرَّبِيعِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَبْدِ رَبِّهِ بْنِ سَعِيدٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا سَلَمَةَ يَقُولُ لَقَدْ كُنْتُ أَرَى الرُّؤْيَا فَتُمْرِضُنِي حَتَّى سَمِعْتُ أَبَا قَتَادَةَ يَقُولُ وَأَنَا كُنْتُ لأرَى الرُّؤْيَا تُمْرِضُنِي حَتَّى سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ الرُّؤْيَا الْحَسَنَةُ مِنْ اللهِ فَإِذَا رَأَى أَحَدُكُمْ مَا يُحِبُّ فَلاَ يُحَدِّثْ بِهِ إِلاَّ مَنْ يُحِبُّ وَإِذَا رَأَى مَا يَكْرَهُ فَلْيَتَعَوَّذْ بِاللهِ مِنْ شَرِّهَا وَمِنْ شَرِّ الشَّيْطَانِ وَلْيَتْفِلْ ثَلاَثًا وَلاَ يُحَدِّثْ بِهَا أَحَدًا فَإِنَّهَا لَنْ تَضُرَّهُ.

আবূ সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি এমন স্বপ্ন দেখতাম যা আমাকে রোগাক্রান্ত করে ফেলত। অবশেষে আমি আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি এমন স্বপ্ন দেখতাম যা আমাকে রোগাক্রান্ত করে দিত। শেষে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, ভাল স্বপ্ন আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে হয়ে থাকে। তাই যখন কেউ পছন্দনীয় কোন স্বপ্ন দেখে তখন এমন লোকের কাছেই বলবে, যাকে সে পছন্দ করে। আর যখন অপছন্দনীয় কোন স্বপ্ন দেখে তখন যেন সে এর ক্ষতি ও শয়তানের ক্ষতি থেকে আল্লাহ্‌র আশ্রয় চায় এবং তিনবার থু থু ফেলে আর সে যেন তা কারো কাছে বর্ণনা না করে। তাহলে এ স্বপ্ন তার কোন ক্ষতি করবে না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৬৮)

৭০৪৫

সহিহ বুখারী

অধ্যায় : স্বপ্নের ব্যখ্যা প্রদান

হাদীস নং : ৭০৪৫


إِبْرَاهِيمُ بْنُ حَمْزَةَ حَدَّثَنِي ابْنُ أَبِي حَازِمٍ وَالدَّرَاوَرْدِيُّ عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ أُسَامَةَ بْنِ الْهَادِ اللَّيْثِيِّ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ خَبَّابٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ إِذَا رَأَى أَحَدُكُمْ الرُّؤْيَا يُحِبُّهَا فَإِنَّهَا مِنْ اللهِ فَلْيَحْمَدْ اللهَ عَلَيْهَا وَلْيُحَدِّثْ بِهَا وَإِذَا رَأَى غَيْرَ ذَلِكَ مِمَّا يَكْرَهُ فَإِنَّمَا هِيَ مِنْ الشَّيْطَانِ فَلْيَسْتَعِذْ مِنْ شَرِّهَا وَلاَ يَذْكُرْهَا لِأَحَدٍ فَإِنَّهَا لَنْ تَضُرَّهُ.

আবূ সা‘ঈদ খুদ্‌রী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, যখন কেউ এমন কোন স্বপ্ন দেখে যা সে পছন্দ করে, তবে মনে করবে যে তা আল্লাহ্‌র তরফ থেকে হয়েছে। তখন যেন সে এজন্য আল্লাহ্‌র শোকর আদায় করে এবং তা বর্ণনা করে। আর যখন এর বিপরীত কোন স্বপ্ন দেখে, যা সে পছন্দ করে না, মনে করবে তা শয়তানের তরফ থেকে হয়েছে। তখন যেন সে এর অনিষ্ট থেকে আল্লাহ্‌র আশ্রয় চায় এবং তা কারো কাছে বর্ণনা না করে। তাহলে এ স্বপ্ন তার কোন ক্ষতি করবে না। [১৫৩](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৬৯)

[১] এই হাদীসের মধ্যে সরকারকে ক্ষমতা থেকে অপসারণের জন্য তার বিরুদ্ধে অন্দোলন করতে বের হওয়া পরিহার করার প্রমাণ রয়েছে। এমনকি সরকার যদি অত্যাচারও করে। যেমন ত্ববারানীতে ইয়াযীদ ইবনু সালামা আল জু’ফী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

يارسول اله إن كان علينا أمراء يأخذون بالحق الذي علينا ويمنعونا الحق الذي لنا أنقاتلهم؟ قال لا، عليهم ما حملوا وعليكم ما حملته

এবং ইমাম মুসলিম মারফু সূত্রে উম্মু সালামাহ থেকে বর্ণনা করেন :

سيكون أمراء فيعرفون وينكرون فمن كره برئ ومن أنكر مسلم، لكن من رضي وتابع قالوا، أفلا نقاتلهم؟ قال: لا، ما صلوا

ফিকাহবীদগণ সকলে একমত হয়েছেন যে, বিজয়ী সরকারের আনুগত্য করা ও তার জিহাদে অংশগ্রহণ করা ওয়াজিব। আর সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে বের হওয়ার চেয়ে তার আনুগত্য করা অতি উত্তম। কেননা আনুগত্যের মাধ্যমেই খুনা-খুনী রোধ ও শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। কিন্তু যদি সরকারের মাঝে সুস্পষ্ট কুফর দেখা যায় তাহলে ঐ ক্ষেত্রে তার আনুগত্য করা জায়েয না। বরং তখন যাদের আন্দোলন করার শক্তি রয়েছে তাদের আন্দোলন করা ওয়াজিব। [এটিও শর্ত সাপেক্ষে]। (ফাতহুল বারী)