All books

সহিহ বুখারী (৭২৭৫ টি হাদীস)

৮৭ রক্তপণ ৬৮৬১ - ৬৯১৭

৮৭/২. অধ্যায়ঃ

আল্লাহ্‌র বাণীঃ আর কেউ কারো প্রাণ রক্ষা করলে। (সূরা আল-মায়িদাহ ৫/৩২)


ইব্‌নু 'আব্বাস (রাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ছাড়া প্রাণ হত্যা নিষিদ্ধ মনে করে তার থেকে গোটা মানব জাতির প্রাণ রক্ষা পেল।

৬৮৬৭

সহিহ বুখারী

অধ্যায় : রক্তপণ

হাদীস নং : ৬৮৬৭


قَبِيصَةُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الأَعْمَشِ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مُرَّةَ عَنْ مَسْرُوقٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لاَ تُقْتَلُ نَفْسٌ إِلاَّ كَانَ عَلَى ابْنِ آدَمَ الأَوَّلِ كِفْلٌ مِنْهَا .

‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেছেনঃ কোন মানুষকে হত্যা করা হলে আদম (আঃ)- এর প্রথম সন্তান (কাবীল) এর উপর (অপরাধের) কিছু অংশ অবশ্যই পড়বে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪০১)

৬৮৬৮

সহিহ বুখারী

অধ্যায় : রক্তপণ

হাদীস নং : ৬৮৬৮


أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ وَاقِدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ أَخْبَرَنِي عَنْ أَبِيهِ سَمِعَ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لاَ تَرْجِعُوا بَعْدِي كُفَّارًا يَضْرِبُ بَعْضُكُمْ رِقَابَ بَعْضٍ.

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেছেনঃ তোমরা আমার পরে কুফরিতে ফিরে যেয়ো না যে (সে অবস্থায়) তোমরা একে অপরের গর্দান উড়িয়ে দিবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪০২)

৬৮৬৯

সহিহ বুখারী

অধ্যায় : রক্তপণ

হাদীস নং : ৬৮৬৯


مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُدْرِكٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا زُرْعَةَ بْنَ عَمْرِو بْنِ جَرِيرٍ عَنْ جَرِيرٍ قَالَ قَالَ لِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ اسْتَنْصِتْ النَّاسَ لاَ تَرْجِعُوا بَعْدِي كُفَّارًا يَضْرِبُ بَعْضُكُمْ رِقَابَ بَعْضٍ رَوَاهُ أَبُو بَكْرَةَ وَابْنُ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.

জারীর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বিদায় হাজ্জের সময় বলেছেন, লোকদেরকে নীরব কর, তোমরা আমার পরে কুফরিতে ফিরে যেয়ো না যে, তোমরা একে অপরের গর্দান উড়িয়ে দিবে।
আবূ বকর ও ইব্‌নু 'আব্বাস (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে (এরকম) বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪০৩)

৬৮৭০

সহিহ বুখারী

অধ্যায় : রক্তপণ

হাদীস নং : ৬৮৭০


مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ فِرَاسٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ الْكَبَائِرُ الإِشْرَاكُ بِاللهِ وَعُقُوقُ الْوَالِدَيْنِ أَوْ قَالَ الْيَمِينُ الْغَمُوسُ شَكَّ شُعْبَةُ وَقَالَ مُعَاذٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ الْكَبَائِرُ الإِشْرَاكُ بِاللهِ وَالْيَمِينُ الْغَمُوسُ وَعُقُوقُ الْوَالِدَيْنِ أَوْ قَالَ وَقَتْلُ النَّفْسِ.

‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কবীরা গুনাহ হচ্ছে আল্লাহ্‌র সঙ্গে শরীক করা, পিতা মাতার অবাধ্য হওয়া অথবা বলেছেন, মিথ্যা কসম করা। শু‘বাহ (রহঃ) তাতে সন্দেহ করেন। এবং মুয়ায (রহঃ) বলেন, শু‘বাহ আমাদেরকে বর্ণনা করেছেন, কবীরা গুনাহ্ হচ্ছে আল্লাহ্‌র সঙ্গে শরীক করা, মিথ্যা কসম করা আর মাতা-পিতার অবাধ্য হওয়া অথবা বলেছেন প্রাণ হত্যা করা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪০৪)

৬৮৭১

সহিহ বুখারী

অধ্যায় : রক্তপণ

হাদীস নং : ৬৮৭১


إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللهِ بْنُ أَبِي بَكْرٍ سَمِعَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ الْكَبَائِرُ ح وحَدَّثَنَا عَمْرٌو وَهُوَ ابْنُ مَرْزُوقٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ ابْنِ أَبِي بَكْرٍ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ أَكْبَرُ الْكَبَائِرِ الإِشْرَاكُ بِاللهِ وَقَتْلُ النَّفْسِ وَعُقُوقُ الْوَالِدَيْنِ وَقَوْلُ الزُّورِ أَوْ قَالَ وَشَهَادَةُ الزُّورِ.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কবীরা গুনাহসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বড় গুনাহ্ হচ্ছে আল্লাহ্‌র সঙ্গে শরীক করা, প্রাণ হত্যা করা, পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া আর মিথ্যা বলা, কিংবা বলেছেন, মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪০৫)

৬৮৭২

সহিহ বুখারী

অধ্যায় : রক্তপণ

হাদীস নং : ৬৮৭২


عَمْرُو بْنُ زُرَارَةَ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ حَدَّثَنَا حُصَيْنٌ حَدَّثَنَا أَبُو ظَبْيَانَ قَالَ سَمِعْتُ أُسَامَةَ بْنَ زَيْدِ بْنِ حَارِثَةَ يُحَدِّثُ قَالَ بَعَثَنَا رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى الْحُرَقَةِ مِنْ جُهَيْنَةَ قَالَ فَصَبَّحْنَا الْقَوْمَ فَهَزَمْنَاهُمْ قَالَ وَلَحِقْتُ أَنَا وَرَجُلٌ مِنْ الأَنْصَارِ رَجُلاً مِنْهُمْ قَالَ فَلَمَّا غَشِينَاهُ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ قَالَ فَكَفَّ عَنْهُ الأَنْصَارِيُّ فَطَعَنْتُهُ بِرُمْحِي حَتَّى قَتَلْتُهُ قَالَ فَلَمَّا قَدِمْنَا بَلَغَ ذَلِكَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ فَقَالَ لِي يَا أُسَامَةُ أَقَتَلْتَهُ بَعْدَ مَا قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ إِنَّمَا كَانَ مُتَعَوِّذًا قَالَ أَقَتَلْتَهُ بَعْدَ مَا قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ قَالَ فَمَا زَالَ يُكَرِّرُهَا عَلَيَّ حَتَّى تَمَنَّيْتُ أَنِّي لَمْ أَكُنْ أَسْلَمْتُ قَبْلَ ذَلِكَ الْيَوْمِ.

উসামাহ ইব্‌নু যায়দ ইব্‌নু হারিসা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে জুহাইনা কওমের হারাকা শাখার বিরুদ্ধে পাঠালেন। আমরা ভোরে এ কওমের কাছে এলাম এবং তাদেরকে পরাস্ত করে ফেললাম। তিনি বলেন, আমি ও আনসারদের এক ব্যক্তি তাদের একজনকে ধাওয়া করে তার কাছে পৌঁছে গেলাম। তিনি বলেন, আমরা যখন আক্রমণ করতে উদ্যত হলাম তখন সে বলে উঠল, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ্। তিনি বলেন, আনসারী ব্যক্তি তার থেকে বিরত হয়ে গেল। কিন্তু আমি তাকে আমার বর্শা দিয়ে আঘাত করে হত্যা করলাম। তিনি বলেন, আমরা যখন মদীনায় আসলাম, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এ সংবাদ পৌঁছল। তিনি বলেন, আমাকে তিনি বললেনঃ হে উসামাহ! তুমি কি তাকে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ বলার পরও হত্যা করলে? আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! সে আসলে হত্যা থেকে বাঁচতে চেয়েছিল। তিনি বললেনঃ আহা! তুমি কি তাকে ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ বলার পরও হত্যা করলে? তিনি বলেন, তিনি বারবার কথাটি আমাকে বলতে থাকলেন। এমন কি আমি কামনা করতে লাগলাম, যদি আমি ঐ দিনের আগে মুসলিম না হতাম। [১১৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪০৬)

[১১৪] (সে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলার পরেও তুমি তাকে হত্যা করেছ?) ইব্‌নু ত্বীন বলেন, এই তিরস্কারের মধ্যে রয়েছে মহান শিক্ষা এবং শিক্ষার মধ্যে রয়েছে এমন এক ঘোষণা যে, পরবর্তীতে আর কেউ যেন তাওহীদের বাণী উচ্চারণকারীকে হত্যা করতে উদ্যত না হয়। আর ইমাম কুরতুবী (রাহিঃ) বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর এই বাণী বার বার উচ্চারণের মধ্যে এবং ওযর গ্রহণ না করার মধ্যে অনুরূপ পদক্ষেপ নেয়ার ব্যাপারে রয়েছে কঠিন ধমক। (ফাতহুল বারী)

৬৮৭৩

সহিহ বুখারী

অধ্যায় : রক্তপণ

হাদীস নং : ৬৮৭৩


عَبْدُ اللهِ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ حَدَّثَنَا يَزِيدُ عَنْ أَبِي الْخَيْرِ عَنْ الصُّنَابِحِيِّ عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ قَالَ إِنِّي مِنْ النُّقَبَاءِ الَّذِينَ بَايَعُوا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم بَايَعْنَاهُ عَلَى أَنْ لاَ نُشْرِكَ بِاللهِ شَيْئًا وَلاَ نَسْرِقَ وَلاَ نَزْنِيَ وَلاَ نَقْتُلَ النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللهُ وَلاَ نَنْتَهِبَ وَلاَ نَعْصِيَ بِالْجَنَّةِ إِنْ فَعَلْنَا ذَلِكَ فَإِنْ غَشِينَا مِنْ ذَلِكَ شَيْئًا كَانَ قَضَاءُ ذَلِكَ إِلَى اللهِ.

‘উবাদাহ ইব্‌নু সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি ঐ নির্বাচিত নেতাদের একজন ছিলাম যারা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাতে বায়'আত করেছিলেন। আমরা তাঁর হাতে এ শর্তে বায়'আত করেছি যে, আমরা আল্লাহ্‌র সঙ্গে কিছুকে শরীক করব না, যিনা করব না, চুরি করব না, এমন প্রাণ হত্যা করব না যা আল্লাহ্ হারাম করেছেন, আমরা লুণ্ঠন করব না, নাফরমানী করব না। যদি আমরা ওগুলো ঠিকভাবে পালন করি তবে জান্নাত লাভ হবে। আর যদি এর মধ্য থেকে কোন একটা করে ফেলি তাহলে তার ফয়সালা আল্লাহ্‌র কাছে সমর্পিত। (আধুনিক প্রকাশনী- ,৬৩৯৪ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪০৭)

৬৮৭৪

সহিহ বুখারী

অধ্যায় : রক্তপণ

হাদীস নং : ৬৮৭৪


مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ حَدَّثَنَا جُوَيْرِيَةُ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَنْ حَمَلَ عَلَيْنَا السِّلاَحَ فَلَيْسَ مِنَّا رَوَاهُ أَبُو مُوسَى عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.

‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক আমাদের বিপক্ষে অস্ত্র ধারণ করবে সে আমাদের দলভুক্ত নয়।
আবূ মূসা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে (এরকম) বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪০৮)

৬৮৭৫

সহিহ বুখারী

অধ্যায় : রক্তপণ

হাদীস নং : ৬৮৭৫


عَبْدُ الرَّحْمٰنِ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ وَيُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ عَنْ الأَحْنَفِ بْنِ قَيْسٍ قَالَ ذَهَبْتُ لِأَنْصُرَ هَذَا الرَّجُلَ فَلَقِيَنِي أَبُو بَكْرَةَ فَقَالَ أَيْنَ تُرِيدُ قُلْتُ أَنْصُرُ هَذَا الرَّجُلَ قَالَ ارْجِعْ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ إِذَا الْتَقَى الْمُسْلِمَانِ بِسَيْفَيْهِمَا فَالْقَاتِلُ وَالْمَقْتُولُ فِي النَّارِ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ هَذَا الْقَاتِلُ فَمَا بَالُ الْمَقْتُولِ قَالَ إِنَّهُ كَانَ حَرِيصًا عَلَى قَتْلِ صَاحِبِهِ.

আহনাফ ইব্‌নু কায়স (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি তাঁকে (‘আলী (রাঃ)-কে সাহায্য) করার জন্য যাচ্ছিলাম। এমন সময় আমার সঙ্গে আবূ বকর (রাঃ) - এর সাক্ষাৎ ঘটল। তিনি বললেন, কোথায় যাচ্ছ? আমি বললাম, ঐ ব্যক্তিকে সাহায্য করতে। তিনি বললেন, ফিরে যাও। কেননা, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি যে, যখন দু'জন মুসলিম তলোয়ার নিয়ে পরস্পর সংঘর্ষে লিপ্ত হয় তখন হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তির অবস্থান হবে জাহান্নাম। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! হত্যাকারীর ব্যাপারটা তো বুঝা গেল। কিন্তু নিহত ব্যক্তির ব্যাপার সে কেমন? তিনি বললেনঃ সেও তার বিরোধীকে হত্যা করতে আগ্রহান্বিত ছিল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪০৯)