All books

আদাবুল মুফরাদ (০ টি হাদীস)

১৭ চিঠিপত্রের আদান-প্রদান ১১২৭ - ১১৪৫

৫২৪.

অনুচ্ছেদঃ চিঠিপত্রের উত্তর দেয়া।

১১২৭

আদাবুল মুফরাদ

অধ্যায় : চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

হাদীস নং : ১১২৭


حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ قَالَ: أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ، عَنِ الْعَبَّاسِ بْنِ ذَرِيحٍ، عَنْ عَامِرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: إِنِّي لَأَرَى لِجَوَابِ الْكِتَابِ حَقًّا كَرَدِّ السَّلَامِ

ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আমার মতে চিঠিপত্রের উত্তর দেয়া সালামের উত্তর দেয়ার মতই বাধ্যকর। -(ইবনে আবু শায়বাহ, বাযযার, তাবাকাত ইবনে সাদ)

৫২৫.

অনুচ্ছেদঃ মহিলাদের নিকট চিঠিপত্র লেখা এবং তাদের জবাবী পত্র।

১১২৮

আদাবুল মুফরাদ

অধ্যায় : চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

হাদীস নং : ১১২৮


حَدَّثَنَا أَبُو رَافِعٍ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ قَالَ: حَدَّثَنِي مُوسَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَتْنَا عَائِشَةُ بِنْتُ طَلْحَةَ قَالَتْ: قُلْتُ لِعَائِشَةَ - وَأَنَا فِي حِجْرِهَا - وَكَانَ النَّاسُ يَأْتُونَهَا مِنْ كُلِّ مِصْرٍ، فَكَانَ الشُّيُوخُ يَنْتَابُونِي لِمَكَانِي مِنْهَا، وَكَانَ الشَّبَابُ يَتَأَخَّوْنِي فَيُهْدُونَ إِلَيَّ، وَيَكْتُبُونَ إِلَيَّ مِنَ الْأَمْصَارِ، فَأَقُولُ لِعَائِشَةَ: يَا خَالَةُ، هَذَا كِتَابُ فُلَانٍ وَهَدِيَّتُهُ، فَتَقُولُ لِي عَائِشَةُ: أَيْ بُنَيَّةُ، فَأَجِيبِيهِ وَأَثِيبِيهِ، فَإِنْ لَمْ يَكُنْ عِنْدَكِ ثَوَابٌ أَعْطَيْتُكِ، فَقَالَتْ: فَتُعْطِينِي

আয়েশা বিনতে তালহা (র) থেকে বর্ণিতঃ

আমি আয়েশা (রাঃ)-র তত্ত্বাবধানাধীন থাকাকালে বিভিন্ন শহর থেকে লোকজন তার কাছে আসতো। তার সঙ্গে আমার সম্পর্কের কারণে প্রবীণগণ আমাকে কন্যা বলে সম্বোধন করতো এবং যুবকরা আমাকে বোন বলতো। তারা আমাকে উপহারাদিও দিতো এবং বিভিন্ন শহর থেকে আমাকে চিঠিপত্রও লিখতো। আমি আয়েশা (রাঃ)-কে বলতাম, হে খালা! এটা অমুকের চিঠি এবং তার উপহার। আয়েশা (রাঃ) আমাকে বলতেন, হে বেটি! তার চিঠির উত্তর দাও এবং তাকেও উপহারাদি পাঠাও। তোমার কাছে দেয়ার মত কিছু না থাকলে আমি তোমাকে দিবো। আয়েশা (র) বলেন, অতএব আয়েশা (রাঃ) আমাকে সেই ব্যবস্থা করে দিতেন।

৫২৬.

অনুচ্ছেদঃ চিঠিপত্রের শিরোনাম কিভাবে লিখতে হবে।

১১২৯

আদাবুল মুফরাদ

অধ্যায় : চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

হাদীস নং : ১১২৯


حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ: حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ كَتَبَ إِلَى عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَرْوَانَ يُبَايِعُهُ، فَكَتَبَ إِلَيْهِ: بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، لِعَبْدِ الْمَلِكِ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ مِنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ: سَلَامٌ عَلَيْكَ، فَإِنِّي أَحْمَدُ إِلَيْكَ اللَّهَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ، وَأُقِرُّ لَكَ بِالسَّمْعِ وَالطَّاعَةِ عَلَى سُنَّةِ اللَّهِ وَسُنَّةِ رَسُولِهِ، فِيمَا اسْتَطَعْتُ

আবদুল্লাহ ইবনে দীনার (র) থেকে বর্ণিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) আবদুল মালেক ইবনে মারওয়ানের নিকট বায়আত হওয়ার জন্য তাকে পত্র লিখেন। তিনি তাকে লিখেন, “বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। আবদুল্লাহ ইবনে উমারের পক্ষ থেকে আমীরুল মুমিনীন আবদুল মালেককে। আপনাকে সালাম। আমি আপনার নিকট আল্লাহর প্রশংসা করি, যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নাই এবং আমি যথাসাধ্য আপনার (নির্দেশ) শোনা ও মানার স্বীকারোক্তি করছি—আল্লাহর বিধান ও তাঁর রাসূলের সুন্নাত মোতাবেক। -(বুখারী, মুয়াত্তা মালিক)

৫২৭.

অনুচ্ছেদঃ অতঃপর।

১১৩০

আদাবুল মুফরাদ

অধ্যায় : চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

হাদীস নং : ১১৩০


حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ قَالَ: أَرْسَلَنِي أَبِي إِلَى ابْنِ عُمَرَ، فَرَأَيْتُهُ يَكْتُبُ: بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، أَمَّا بَعْدُ

যায়েদ ইবনে আসলাম (র) থেকে বর্ণিতঃ

“আমার পিতা আমাকে (আমার দাদা) ইবনে উমার (রাঃ)-র নিকট পাঠান। আমি তাকে লিখতে দেখলাম, বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। অতঃপর....। -(বুখারী, মুয়াত্তা মালিক)

১১৩১

আদাবুল মুফরাদ

অধ্যায় : চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

হাদীস নং : ১১৩১


حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عَبْدِ الْمُؤْمِنِ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ قَالَ: رَأَيْتُ رَسَائِلَ مِنْ رَسَائِلِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، كُلَّمَا انْقَضَتْ قِصَّةٌ قَالَ: «أَمَّا بَعْدُ»

হিশাম ইবনে উরওয়া (র) থেকে বর্ণিতঃ

আমি নবী (সাঃ)-এর কতগুলো চিঠি দেখলাম। যেখানেই কোন বক্তব্য শেষ হয়েছে সেখানে তিনি বলেছেনঃ অতঃপর।

৫২৮.

অনুচ্ছেদঃ চিঠিপত্রের শিরোনামে বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম।

১১৩২

আদাবুল মুফরাদ

অধ্যায় : চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

হাদীস নং : ১১৩২


حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ خَارِجَةَ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ كُبَرَاءِ آلِ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، أَنَّ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ كَتَبَ بِهَذِهِ الرِّسَالَةِ: بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، لِعَبْدِ اللَّهِ مُعَاوِيَةَ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ، مِنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، سَلَامٌ عَلَيْكَ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ وَرَحْمَةُ اللَّهِ، فَإِنِّي أَحْمَدُ إِلَيْكَ اللَّهَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ، أَمَّا بَعْدُ

যায়েদ (রাঃ)-র পরিবারের প্রবীণদের থেকে বর্ণিতঃ

যায়েদ ইবনে সাবিত (র) নিম্নোক্ত চিঠি লিখেনঃ বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। যায়েদ ইবনে সাবিতের পক্ষ থেকে আমীরুল মুমিনীন আল্লাহর বান্দা মুআবিয়াকে। আমীরুল মুমিনীন! আপনাকে সালাম এবং আল্লাহর রহমাত। আমি আপনার সমীপে আল্লাহর প্রশংসা করি, যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নাই। অতঃপর..... ।(বাযযার)

১১৩৩

আদাবুল মুফরাদ

অধ্যায় : চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

হাদীস নং : ১১৩৩


حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ الْأَنْصَارِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مَسْعُودٍ الْجُرَيْرِيُّ قَالَ: سَأَلَ رَجُلٌ الْحَسَنَ عَنْ قِرَاءَةِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ؟ قَالَ: تِلْكَ صُدُورُ الرَّسَائِلِ
---
[قال الشيخ الألباني] :
صحيح الإسناد عن الحسن وهو البصري

আবু মাসউদ আল-জুরায়রী (র) থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি হাসান বসরী (র)-এর নিকট বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম পাঠ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। তিনি বলেন, তা চিঠিপত্রের শিরোনাম।

৫২৯.

অনুচ্ছেদঃ চিঠির সূচনায় যা লিখবে।

১১৩৪

আদাবুল মুফরাদ

অধ্যায় : চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

হাদীস নং : ১১৩৪


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ نَافِعٍ قَالَ: كَانَتْ لِابْنِ عُمَرَ حَاجَةٌ إِلَى مُعَاوِيَةَ، فَأَرَادَ أَنْ يَكْتُبَ إِلَيْهِ، فَقَالُوا: ابْدَأْ بِهِ، فَلَمْ يَزَالُوا بِهِ حَتَّى كَتَبَ: بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، إِلَى مُعَاوِيَةَ

নাফে (র) থেকে বর্ণিতঃ

মুআবিয়া (রাঃ)-র নিকট ইবনে উমার (রাঃ)-র একটি প্রয়োজন ছিল। তাই তিনি তাকে চিঠি লিখতে মনস্থ করলেন। লোকজন বললো, শুরুতে তার নাম লিখুন এবং তারা একথাই বলতে থাকলো। তিনি লিখেন, বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম, মুআবিয়াকে।

১১৩৫

আদাবুল মুফরাদ

অধ্যায় : চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

হাদীস নং : ১১৩৫


وَعَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ قَالَ: كَتَبْتُ لِابْنِ عُمَرَ، فَقَالَ: اكْتُبْ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، أَمَّا بَعْدُ: إِلَى فُلَانٍ

আনাস ইবনে সীরীন (র) থেকে বর্ণিতঃ

আমি ইবনে উমার (রাঃ)-র চিঠি লিখে দিতাম। তিনি
বলেন, তুমি লিখোঃ বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম, অতঃপর অমুককে।

১১৩৬

আদাবুল মুফরাদ

অধ্যায় : চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

হাদীস নং : ১১৩৬


وَعَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ قَالَ: كَتَبَ رَجُلٌ بَيْنَ يَدَيِ ابْنِ عُمَرَ: بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، لِفُلَانٍ، فَنَهَاهُ ابْنُ عُمَرَ وَقَالَ: قُلْ: بِسْمِ اللَّهِ، هُوَ لَهُ

আনাস ইবনে সীরীন (র) থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি ইবনে উমার (রাঃ)-র সামনে চিঠি লিখলো,
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম, অমুককে। ইবনে উমার (রাঃ) তাকে এভাবে লিখতে নিষেধ করেন এবং বলেন, বলো, বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম, এটি তাকে লিখিত।

১১৩৭

আদাবুল মুফরাদ

অধ্যায় : চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

হাদীস নং : ১১৩৭


حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ: حَدَّثَنِي ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ خَارِجَةَ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ كُبَرَاءِ آلِ زَيْدٍ، أَنَّ زَيْدًا كَتَبَ بِهَذِهِ الرِّسَالَةِ: لِعَبْدِ اللَّهِ مُعَاوِيَةَ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ، مِنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ: سَلَامٌ عَلَيْكَ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ وَرَحْمَةُ اللَّهِ، فَإِنِّي أَحْمَدُ إِلَيْكَ اللَّهَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ، أَمَّا بَعْدُ

যায়েদ (রাঃ)-র পরিবারের প্রবীণদের থেকে বর্ণিতঃ

যায়েদ ইবনে সাবিত (রাঃ) এই চিঠি লিখেনঃ যায়েদ ইবনে সাবিতের তরফ থেকে আল্লাহর বান্দা আমীরুল মুমিনীন মুআবিয়াকে। আমীরুল মুমিনীন! আপনাকে সালাম ও আল্লাহর রহমাত কামনা করি। আমি আপনার সমীপে আল্লাহর প্রশংসা করি, যিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নাইবনে মাজাহ, অতঃপর। (বাযযার)

১১৩৮

আদাবুল মুফরাদ

অধ্যায় : চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

হাদীস নং : ১১৩৮


حَدَّثَنَا مُوسَى قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ قَالَ: حَدَّثَنَا عُمَرُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، سَمِعْتُهُ يَقُولُ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " إِنَّ رَجُلًا مِنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ - وَذَكَرَ الْحَدِيثَ - وَكَتَبَ إِلَيْهِ صَاحِبُهُ: مِنْ فُلَانٍ إِلَى فُلَانٍ "

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাঃ) বলেছেনঃ নবী ইসরাঈলের এক ব্যক্তি..... অতঃপর রাবী পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন এবং তার প্রতিপক্ষ তাকে লিখলো, অমুকের তরফ থেকে অমুককে (বুখারীতে কিতাবুল কাফালার প্রথম অনুচ্ছেদ শিরোনামের অধীন হাদীসটি সবিস্তারে উক্ত হয়েছে)।

৫৩০.

অনুচ্ছেদঃ আপনার রাত কেমন কাটলো?

১১৩৯

আদাবুল মুফরাদ

অধ্যায় : চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

হাদীস নং : ১১৩৯


حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ الْغَسِيلِ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِيدٍ قَالَ: لَمَّا أُصِيبَ أَكْحُلُ سَعْدٍ يَوْمَ الْخَنْدَقِ فَثَقُلَ، حَوَّلُوهُ عِنْدَ امْرَأَةٍ يُقَالُ لَهَا: رُفَيْدَةُ، وَكَانَتْ تُدَاوِي الْجَرْحَى، فَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا مَرَّ بِهِ يَقُولُ: «كَيْفَ أَمْسَيْتَ؟» ، وَإِذَا أَصْبَحَ: «كَيْفَ أَصْبَحْتَ؟» فَيُخْبِرُهُ

মাহমূদ ইবনে লাবীদ (র) থেকে বর্ণিতঃ

খন্দকের যুদ্ধের দিন সাদ (রাঃ)-র চোখ আঘাতপ্রাপ্ত হলে এবং তার অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে রাফীদা নাম্নী এক মহিলার নিকট পৌছে দেয়া হলো। তিনি আহতের চিকিৎসা করতেন। নবী (সাঃ) সকাল-সন্ধ্যায় সাদ (রাঃ)-র নিকট দিয়ে যেতে জিজ্ঞেস করতেনঃ তোমার দিন কেমন কাটলো, তোমার রাত কেমন কাটলো? তিনি তাকে (নিজ অবস্থা) অবহিত করতেন। (বুখারীর তারীখ)

১১৪০

আদাবুল মুফরাদ

অধ্যায় : চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

হাদীস নং : ১১৪০


حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ صَالِحٍ قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ يَحْيَى الْكَلْبِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا الزُّهْرِيُّ قَالَ: أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ الْأَنْصَارِيُّ - قَالَ: وَكَانَ كَعْبُ بْنُ مَالِكٍ أَحَدَ الثَّلَاثَةِ الَّذِينَ تِيبَ عَلَيْهِمْ - أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ أَخْبَرَهُ، أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ خَرَجَ مِنْ عِنْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي وَجَعِهِ الَّذِي تُوُفِّيَ فِيهِ، فَقَالَ النَّاسُ: يَا أَبَا الْحَسَنِ، كَيْفَ أَصْبَحَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَ: أَصْبَحَ بِحَمْدِ اللَّهِ بَارِئًا، قَالَ: فَأَخَذَ عَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ بِيَدِهِ، فَقَالَ: أَرَأَيْتُكَ؟ فَأَنْتَ وَاللَّهِ بَعْدَ ثَلَاثٍ عَبْدُ الْعَصَا، وَإِنِّي وَاللَّهِ لَأَرَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَوْفَ يُتَوَفَّى فِي مَرَضِهِ هَذَا، إِنِّي أَعْرِفُ وُجُوهَ بَنِي عَبْدِ الْمُطَّلِبِ عِنْدَ الْمَوْتِ، فَاذْهَبْ بِنَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلْنَسْأَلْهُ: فِيمَنْ هَذَا الْأَمْرُ؟ فَإِنْ كَانَ فِينَا عَلِمْنَا ذَلِكَ، وَإِنْ كَانَ فِي غَيْرِنَا كَلَّمْنَاهُ فَأَوْصَى بِنَا، فَقَالَ عَلِيٌّ: إِنَّا وَاللَّهِ إِنْ سَأَلْنَاهُ فَمَنَعَنَاهَا لَا يُعْطِينَاهَا النَّاسُ بَعْدَهُ أَبَدًا، وَإِنِّي وَاللَّهِ لَا أَسْأَلُهَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَبَدًا

ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর মৃত্যুব্যাধিগ্রস্ত অবস্থায় আলী (রাঃ) তার নিকট থেকে বের হয়ে আসলে লোকজন জিজ্ঞেস করে, হে আবুল হাসান! রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর রাত কেমন কাটলো? তিনি বলেন, আলহামদু লিল্লাহ! তিনি সুস্থ অবস্থায় রাত কাটিয়েছেন। রাবী বলেন, আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) তার হাত ধরে জিজ্ঞেস করেন, আমি তো দেখছি তুমি তিন দিন পর লাঠির দাস হবে। আল্লাহর শপথ আমি তো দেখছি তিনি তাঁর এই রোগেই মৃত্যুবরণ করবেন। মৃত্যুর পূর্বে আবদুল মুত্তালিব বংশের লোকের চেহারা কেমন হয়ে যায় তা আমি জানি। অতএব চলো, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট যাই এবং তাকে জিজ্ঞেস করি তাঁর পরে কে তার স্থলাভিষিক্ত হবে? যদি তা আমাদের মধ্যে থাকে তবে তো আমরা তা জেনে গেলাম। আর যদি তা আমাদের বহির্ভূত লোকদের মধ্যে চলে যায় তবে আমরা তাঁর সাথে কথা বলবো, (যাতে) তিনি আমাদের সম্পর্কে ওসিয়াত করে যান। আলী (রাঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! যদি আমরা তাকে জিজ্ঞেস করি এবং তিনি আমাদেরকে (ঐ পদে সমাসীন হতে) নিষেধ করেন, তবে তার পরে লোকেরা আর কখনো আমাদেরকে ঐ পদ দিবে না। অতএব আল্লাহর শপথ! আমি এই বিষয়ে কখনো রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে জিজ্ঞেস করবো না। (বুখারী হা/৪০৯৪, আহমাদ)

৫৩১.

অনুচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি পত্রের সমাপ্তিতে আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ লিখে এবং তার সাথে প্রেরকের নাম-ঠিকানা ও পত্র প্রেরণের তারিখও লিখে।

১১৪১

আদাবুল মুফরাদ

অধ্যায় : চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

হাদীস নং : ১১৪১


حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، أَنَّهُ أَخَذَ هَذِهِ الرِّسَالَةَ مِنْ خَارِجَةَ بْنِ زَيْدٍ، وَمِنْ كُبَرَاءِ آلِ زَيْدٍ: بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، لِعَبْدِ اللَّهِ مُعَاوِيَةَ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ، مِنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ: سَلَامٌ عَلَيْكَ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ وَرَحْمَةُ اللَّهِ، فَإِنِّي أَحْمَدُ إِلَيْكَ اللَّهَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ، أَمَّا بَعْدُ: فَإِنَّكَ تَسْأَلُنِي عَنْ مِيرَاثِ الْجَدِّ وَالْإِخْوَةِ، فَذَكَرَ الرِّسَالَةَ، وَنَسْأَلُ اللَّهَ الْهُدَى وَالْحِفْظَ وَالتَّثَبُّتَ فِي أَمْرِنَا كُلِّهِ، وَنَعُوذُ بِاللَّهِ أَنْ نَضِلَّ، أَوْ نَجْهَلَ، أَوْ نُكَلَّفَ مَا لَيْسَ لَنَا بِهِ عِلْمٌ، وَالسَّلَامُ عَلَيْكَ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ وَمَغْفِرَتُهُ. وَكَتَبَ وُهَيْبٌ: يَوْمَ الْخَمِيسِ لِثِنْتَيْ عَشْرَةَ بَقِيَتْ مِنْ رَمَضَانَ سَنَةَ اثْنَيْنِ وَأَرْبَعِينَ

ইবনে আবুয যিনাদ (র) থেকে বর্ণিতঃ

আমার পিতা আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি নিম্নোক্ত পত্রটি খারিজা ইবনে যায়েদ (র) ও যায়েদ পরিবারের প্রবীণদের নিকট থেকে পেয়েছেনঃ বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। যায়েদ ইবনে সাবিতের পক্ষ থেকে আল্লাহর বান্দা ও মুমিনদের নেতা মুআবিয়াকে। আমীরুল মুমিনীন! আপনাকে সালাম ও আল্লাহর রহমাত। আমি আপনার সমীপে আল্লাহর প্রশংসা করছি, যিনি ছাড়া কোন ইলাহ নাই। অতঃপর আপনি আমাকে দাদা বা নানা ও বোনদের ওয়ারিসী স্বত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছেন (অতঃপর চিঠির বিষয়বস্তু উক্ত হয়েছে)। আমরা আল্লাহর নিকট সৎপথ প্রাপ্তি, সুস্থ স্মরণশক্তি ও আমাদের সকল কাজ সুষ্ঠভাবে বুঝবার তৌকীক কামনা করি। অপরদিকে আমরা আল্লাহর কাছে পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে, মূর্খতা প্রসূত আচরণ করা থেকে এবং আমাদের জ্ঞান বহির্ভূত দায়িত্ব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি। হে আমীরুল মুমিনীন! আপনার উপর শান্তি ও আল্লাহর রহমাত বর্ষিত হোক এবং তিনি আপনাকে ক্ষমা করুন। উহাইব (র) এই পত্ৰখানা বিয়াল্লিশ হিজরীর রমযান মাসের বারো দিন অবশিষ্ট থাকতে বৃহস্পতিবার লিপিবদ্ধ করেন। (বাযযার)

৫৩২.

অনুচ্ছেদঃ আপনি কেমন আছেন?

১১৪২

আদাবুল মুফরাদ

অধ্যায় : চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

হাদীস নং : ১১৪২


حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ: حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، وَسَلَّمَ عَلَيْهِ رَجُلٌ فَرَدَّ السَّلَامَ، ثُمَّ سَأَلَ عُمَرُ الرَّجُلَ: كَيْفَ أَنْتَ؟ فَقَالَ: أَحْمَدُ اللَّهَ إِلَيْكَ، فَقَالَ عُمَرُ: هَذَا الَّذِي أَرَدْتُ مِنْكَ
---
[قال الشيخ الألباني] :
صحيح الإسناد موقوفا ثبت مرفوعا

আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে এক ব্যক্তি সালাম দিলো। তিনি সালামের উত্তর দিয়ে লোকটিকে জিজ্ঞেস করেন, তুমি কেমন আছো? সে বললো, আমি আপনার সমীপে আল্লাহর প্রশংসা করছি। উমার (রাঃ) বলেন, আমি তোমার নিকট এটাই আশা করছিলাম। -(মুয়াত্তা মালিক)

৫৩৩.

অনুচ্ছেদঃ কোন ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনার রাত কেমন গেলো? সে কিভাবে এর জবাব দিবে?

১১৪৩

আদাবুল মুফরাদ

অধ্যায় : চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

হাদীস নং : ১১৪৩


حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ سَلَمَةَ الْمَكِّيِّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ: قِيلَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: كَيْفَ أَصْبَحْتَ؟ قَالَ: «بِخَيْرٍ مِنْ قَوْمٍ لَمْ يَشْهَدُوا جَنَازَةً، وَلَمْ يَعُودُوا مَرِيضًا»

জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনার রাত কেমন কাটলো? তিনি বলেনঃ ভালোভাবেই কেটেছে, এমন জনগোষ্ঠীর তুলনায় যারা কোন জানাযায় উপস্থিত হয়নি এবং রুগ্ন ব্যক্তিকেও দেখতে যায়নি। (ইবনে মাজাহ হা/৩৭১০)

১১৪৪

আদাবুল মুফরাদ

অধ্যায় : চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

হাদীস নং : ১১৪৪


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ قَالَ: حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ مُهَاجِرٍ هُوَ الصَّائِغُ، قَالَ: كُنْتُ أَجْلِسُ إِلَى رَجُلٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ضَخْمٍ مِنَ الْحَضْرَمِيِّينَ، فَكَانَ إِذَا قِيلَ لَهُ: كَيْفَ أَصْبَحْتَ؟ قَالَ: لَا نُشْرِكُ بِاللَّهِ

মুহাজির (র) থেকে বর্ণিতঃ

আমি নবী (সাঃ)-এর হাদারামাওতবাসী এক স্থূলকায় সাহাবীর মজলিসে বসতাম। তাকে যখন বলা হতো, আপনার রাত কেমন কেটেছে, তখন তিনি বলতেন, আমরা আল্লাহর সাথে শরীক করি না।

১১৪৫

আদাবুল মুফরাদ

অধ্যায় : চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

হাদীস নং : ১১৪৫


حَدَّثَنَا مُوسَى قَالَ: حَدَّثَنَا رِبْعِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْجَارُودِ الْهُذَلِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا سَيْفُ بْنُ وَهْبٍ قَالَ: قَالَ لِي أَبُو الطُّفَيْلِ: كَمْ أَتَى عَلَيْكَ؟ قُلْتُ: أَنَا ابْنُ ثَلَاثٍ وَثَلَاثِينَ، قَالَ: أَفَلَا أُحَدِّثُكَ بِحَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْ حُذَيْفَةَ بْنِ الْيَمَانِ: إِنَّ رَجُلًا مِنْ مُحَارِبِ خَصَفَةَ، يُقَالُ لَهُ: عَمْرُو بْنُ صُلَيْعٍ، وَكَانَتْ لَهُ صُحْبَةٌ، وَكَانَ بِسِنِّي يَوْمَئِذٍ وَأَنَا بِسِنِّكَ الْيَوْمَ، أَتَيْنَا حُذَيْفَةَ فِي مَسْجِدٍ، فَقَعَدْتُ فِي آخِرِ الْقَوْمِ، فَانْطَلَقَ عَمْرٌو حَتَّى قَامَ بَيْنَ يَدَيْهِ، قَالَ: كَيْفَ أَصْبَحْتَ، أَوْ كَيْفَ أَمْسَيْتَ يَا عَبْدَ اللَّهِ؟ قَالَ: أَحْمَدُ اللَّهَ، قَالَ: مَا هَذِهِ الْأَحَادِيثُ الَّتِي تَأْتِينَا عَنْكَ؟ قَالَ: وَمَا بَلَغَكَ عَنِّي يَا عَمْرُو؟ قَالَ: أَحَادِيثُ لَمْ أَسْمَعْهَا، قَالَ: إِنِّي وَاللَّهِ لَوْ أُحَدِّثُكُمْ بِكُلِّ مَا سَمِعْتُ مَا انْتَظَرْتُمْ بِي جُنْحَ هَذَا اللَّيْلِ، وَلَكِنْ يَا عَمْرُو بْنَ صُلَيْعٍ، إِذَا رَأَيْتَ قَيْسًا تَوَالَتْ بِالشَّامِ فَالْحَذَرَ الْحَذَرَ، فَوَاللَّهِ لَا تَدَعُ قَيْسٌ عَبْدًا لِلَّهِ مُؤْمِنًا إِلَّا أَخَافَتْهُ أَوْ قَتَلَتْهُ، وَاللَّهِ لَيَأْتِيَنَّ عَلَيْهِمْ زَمَانٌ لَا يَمْنَعُونَ فِيهِ ذَنَبَ تَلْعَةٍ، قَالَ: مَا يَنْصِبُكَ عَلَى قَوْمِكَ يَرْحَمُكَ اللَّهُ؟ قَالَ: ذَاكَ إِلَيَّ، ثُمَّ قَعَدَ

সাইফ ইবনে ওয়াহব (র) থেকে বর্ণিতঃ

আবু তুফাইল (রাঃ) আমাকে জিজ্ঞেস করেন, তোমার বয়স কতো ? আমি বললাম, তেত্রিশ বছর। তিনি বলেন, আমি কি তোমার নিকট একটি হাদীস বর্ণনা করবো নাসাঈ, যা আমি হুযায়ফা (রাঃ)-এর নিকট শুনেছি? আমর ইবনে সুলাই (রাঃ) নামক মুহারিব খাসফার এক ব্যক্তি, যিনি সাহাবী ছিলেন এবং যিনি ছিলেন তখন আমার বয়সী এবং আমি ছিলাম তোমার বয়সী। আমরা এক মসজিদে হুযায়ফা (রাঃ)-র নিকট আসলাম। আমি সমাবেশের একেবারে শেষ প্রান্তে বসলাম। আমর (রাঃ) উঠে গিয়ে হুযায়ফা (রাঃ)-র সামনে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর বান্দা! আপনার রাত কেমন কেটেছে বা আপনার দিন কেমন কেটেছে? তিনি বলেন, আমি আল্লাহর প্রশংসা করি। তিনি জিজ্ঞেস করেন, এসব কি কথা যা আপনার বরাতে আমাদের নিকট পৌঁছে? হ্যায়ফা (রাঃ) বলেন, হে আমরা আমার বরাতে তোমার নিকট কি পৌঁছেছে? তিনি বলেন, এমন কতক হাদীস যা আমি কখনো শুনিনি। তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ আমি যদি তোমার নিকট সেইসব হাদীস বর্ণনা করি যা আমি শুনি, তাহলে তোমরা এই রাতের কিয়দংশ-ও তুমি আমার সাথে অপেক্ষা করবে না। কিন্তু হে আমর ইবনে সুলাই! যখন তুমি দেখবে যে, কায়েস গোত্র সিরিয়ার কর্তৃত্ব লাভ করেছে তখন সাবধান, আত্মরক্ষা করো। আল্লাহর শপথ! কায়েস গোত্র আল্লাহর কোনও মুমিন বান্দাকে ভীত-সন্ত্রস্ত অথবা হত্যা না করে ক্ষান্ত হবে না। আল্লাহর শপথ! তাদের সামনে এমন এক যুগ আসবে যখন তারা যে কোন গুনাহের কাজ না করে ছাড়বে না। আমর (রাঃ) বলেন, আল্লাহ আপনাকে দয়া করুন, আপনি আপনার জনগোষ্ঠীকে কিভাবে বশীভূত করবেন ? তিনি বলেন, এটা তো আমারও দুশ্চিন্তার বিষয়। আতঃপর তিনি বসে পড়লেন। (হাকিম)