All books

সুনানে আবু দাউদ (৫২৭৪ টি হাদীস)

৩২ কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম ৩৯৬৯ – ৪০০৮

অনুচ্ছেদ-১

কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

৩৯৬৯

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৬৯


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، ح وَحَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرٍ، رضى الله عنه أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَرَأَ ‏{‏ وَاتَّخِذُوا مِنْ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلًّى ‏}‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াত (এভাবে) পড়েছেনঃ “তোমরা মাক্বামে ইবরাহীমকে সলাতের স্থান বানিয়ে নাও”। (সূরাহ আল-বাক্বারাহঃ ১২৫)।

৩৯৭০

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৭০


حَدَّثَنَا مُوسَى، - يَعْنِي ابْنَ إِسْمَاعِيلَ - حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها أَنَّ رَجُلاً، قَامَ مِنَ اللَّيْلِ فَقَرَأَ فَرَفَعَ صَوْتَهُ بِالْقُرْآنِ فَلَمَّا أَصْبَحَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يَرْحَمُ اللَّهُ فُلاَنًا كَائِنٌ مِنْ آيَةٍ أَذْكَرَنِيهَا اللَّيْلَةَ كُنْتُ قَدْ أَسْقَطْتُهَا ‏"‏ ‏.‏

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

একদা রাতে এক লোক উচ্চস্বরে কুরআন তিলাওয়াত করলো। সকালে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ অমুক ব্যাক্তির উপর রহমাত বর্ষণ করুন। সে রাতে আমাকে এমন কিছু আয়াত স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যা আমি প্রায় ভুলতে বসেছিলাম।

৩৯৭১

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৭১


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، حَدَّثَنَا خُصَيْفٌ، حَدَّثَنَا مِقْسَمٌ، مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ رضى الله عنهما نَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ ‏{‏ وَمَا كَانَ لِنَبِيٍّ أَنْ يَغُلَّ ‏}‏ فِي قَطِيفَةٍ حَمْرَاءَ فُقِدَتْ يَوْمَ بَدْرٍ فَقَالَ بَعْضُ النَّاسِ لَعَلَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَخَذَهَا فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ ‏{‏ وَمَا كَانَ لِنَبِيٍّ أَنْ يَغُلَّ ‏}‏ إِلَى آخِرِ الآيَةِ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ يَغُلَّ مَفْتُوحَةُ الْيَاءِ ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, “আর নাবীর জন্য শোভনীয় নয় যে, তিনি খিয়ানাত করবেন।” - এই আয়াত বদরের যুদ্ধের সময় অবতীর্ণ হয়েছে। বদরের যুদ্ধের সময় একটা লাল চাঁদর হারিয়ে গেলে কতিপয় লোক বলাবলি করলো, সম্ভবত রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা নিয়েছেন। তখন আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “আর নাবীর জন্য শোভনীয় নয় যে, তিনি খিয়ানাত করবেন। অথচ যে ব্যাক্তি খিয়ানাত করবে সে খিয়ানাতকৃত বস্তুসহ ক্বিয়ামাতের দিন উপস্থিত হবে। অতঃপর প্রত্যেকেই তার কৃতকর্মের পূর্ণ বিনিময় পাবে এবং তাদের প্রতি বিন্দুমাত্র যুলুম করা হবে না” (সূরাহ আল-‘ইমরানঃ ১৬১)। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘ইয়াগুলু’ শব্দের ইয়া-তে যবর হবে।

৩৯৭২

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৭২


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، قَالَ سَمِعْتُ أَبِي قَالَ، سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْبُخْلِ وَالْهَرَمِ ‏"‏ ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট কৃপণতা ও বার্ধক্য হতে আশ্রয় চাইছি।

৩৯৭৩

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৭৩


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سُلَيْمٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ كَثِيرٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ لَقِيطِ بْنِ صَبِرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، لَقِيطِ بْنِ صَبِرَةَ قَالَ كُنْتُ وَافِدَ بَنِي الْمُنْتَفِقِ - أَوْ فِي وَفْدِ بَنِي الْمُنْتَفِقِ - إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ الْحَدِيثَ فَقَالَ - يَعْنِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم - ‏ "‏ لاَ تَحْسِبَنَّ ‏"‏ ‏.‏ وَلَمْ يَقُلْ لاَ تَحْسَبَنَّ ‏.‏

লাক্বীত্ব ইবনু সাবিরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি বনী মুনতাফিকের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়েছিলাম। অতঃপর তিনি হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি অর্থাৎ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সীন হরফে যের পড়েছেন সীনে যবর দিয়ে পড়েননি।

৩৯৭৪

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৭৪


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ لَحِقَ الْمُسْلِمُونَ رَجُلاً فِي غُنَيْمَةٍ لَهُ فَقَالَ السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ فَقَتَلُوهُ وَأَخَذُوا تِلْكَ الْغُنَيْمَةَ فَنَزَلَتْ ‏{‏ وَلاَ تَقُولُوا لِمَنْ أَلْقَى إِلَيْكُمُ السَّلاَمَ لَسْتَ مُؤْمِنًا تَبْتَغُونَ عَرَضَ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا ‏}‏ تِلْكَ الْغُنَيْمَةَ ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, এক অভিযানে মুসলিমগণ এক লোকের সাক্ষাত পেলো, যার কিছু বকরী ছিল। লোকটি বললো, আপনাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। (অথচ) তারা তাকে হত্যা করে বকরীগুলো নিয়ে নিলো। তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ “কেউ তোমাদের সালাম দিলে দুনিয়াবী সম্পদের লোভে তাকে বলো না যে, তুমি মু’মিন নও” (সূরাহ আন-নিসাঃ ৯৪)। অর্থাৎ সেই বকরীগুলো।

৩৯৭৫

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৭৫


حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الأَنْبَارِيُّ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي الزِّنَادِ، - وَهُوَ أَشْبَعُ - عَنْ أَبِيهِ، عَنْ خَارِجَةَ بْنِ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْرَأُ ‏{‏ غَيْرُ أُولِي الضَّرَرِ ‏}‏ وَلَمْ يَقُلْ سَعِيدٌ كَانَ يَقْرَأُ ‏.‏

খারিজাহ ইবনু যায়িদ ইবনু সাবিত (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরআনের এই আয়াত এভাবে (পেশ দিয়ে) পড়তেনঃ (আরবী)। [৩৯৭৫]

[৩৯৭৫] এর তাখরীজ গত হয়েছে হা/২৫০৫।।।

৩৯৭৬

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৭৬


حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي عَلِيِّ بْنِ يَزِيدَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَرَأَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏{‏ وَالْعَيْنُ بِالْعَيْنِ ‏}‏ ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াত (এভাবে) পড়তেনঃ (আরবী)। [৩৯৭৬]

[৩৯৭৬] তিরমিযী, আহমাদ। ইমাম তিরমিযী বলেনঃ ‘হাসান গরীব।’ এর সানাদে ‘আলী ইবনু ইয়াযীদ আইলী আজ্ঞাত (মাজহুল) যেমনটি হাফিয বলেছেন আত-তাক্বরীব গ্রন্থে।

৩৯৭৭

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৭৭


حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي عَلِيِّ بْنِ يَزِيدَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَرَأَ ‏{‏ وَكَتَبْنَا عَلَيْهِمْ فِيهَا أَنَّ النَّفْسَ بِالنَّفْسِ وَالْعَيْنُ بِالْعَيْنِ ‏}‏ ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াত এভাবে পড়তেন। (আরবী)।

[৩৯৭৭] এর পূর্বেরটি দেখুন

৩৯৭৮

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৭৮


حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا فُضَيْلُ بْنُ مَرْزُوقٍ، عَنْ عَطِيَّةَ بْنِ سَعْدٍ الْعَوْفِيِّ، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ ‏{‏ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ ضَعْفٍ ‏}‏ فَقَالَ ‏{‏ مِنْ ضُعْفٍ ‏}‏ قَرَأْتُهَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَمَا قَرَأْتَهَا عَلَىَّ فَأَخَذَ عَلَىَّ كَمَا أَخَذْتُ عَلَيْكَ ‏.‏

‘আত্বিয়্যাহ ইবনু সা’দ আল-‘আওফী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমারের সামনে এই আয়াত (আরবী) - এভাবে পাঠ করলে তিনি বলেন (আরবী) পাঠ করো। বর্ণনাকারী বলেন, আমিও তোমার মত রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সামনে পড়েছিলাম। ফলে তিনি আমার ভুল ধরেছিলেন যেমন আমি তোমার ভুল ধরেছি। [৩৯৭৮]

[৩৯৭৮] তিরমিযী, আহমাদ। ইমাম তিরমিযী বলেনঃ ‘এই হাদীসটি হাসান গরীব।’ সানাদে ‘আত্বিয়্যাহ বিন সা’দ দুর্বল।

৩৯৭৯

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৭৯


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الْقُطَعِيُّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدٌ، - يَعْنِي ابْنَ عَقِيلٍ - عَنْ هَارُونَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَابِرٍ، عَنْ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏{‏ مِنْ ضُعْفٍ ‏}‏ ‏.‏

আবু সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এভাবে পড়তেনঃ (আরবী)। [৩৯৭৯]

[৩৯৭৯] আবূ দাউদ এটি একক ভাবে বর্ণনা করেছেন।

৩৯৮০

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৮০


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَسْلَمَ الْمِنْقَرِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَى، قَالَ قَالَ أُبَىُّ بْنُ كَعْبٍ ‏{‏ بِفَضْلِ اللَّهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَلِكَ فَلْتَفْرَحُوا ‏}‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ بِالتَّاءِ ‏.‏

‘আবদুর রহমান ইবনু আবযা থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) এই আয়াত এভাবে পড়তেনঃ (আরবী)। [৩৯৮০]

[৩৯৮০] আহমাদ।

৩৯৮১

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৮১


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا الْمُغِيرَةُ بْنُ سَلَمَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنِ الأَجْلَحِ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَى، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أُبَىٍّ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَرَأَ ‏{‏ بِفَضْلِ اللَّهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَلِكَ فَلْيَفْرَحُوا هُوَ خَيْرٌ مِمَّا تَجْمَعُونَ ‏}‏ ‏.‏

উবাহ ইবনু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই আয়াত এভাবে পড়তেনঃ (আরবী)। [৩৯৮১]

[৩৯৮১] আহমাদ।

৩৯৮২

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৮২


حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، أَخْبَرَنَا ثَابِتٌ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ يَزِيدَ، أَنَّهَا سَمِعَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ ‏{‏ إِنَّهُ عَمِلَ غَيْرَ صَالِحٍ ‏}‏ ‏.‏

আসমা বিনতু আবূ বাক্‌র (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ আয়াত এভাবে পড়তে শুনেছেনঃ (আরবী)। [৩৯৮২]

৩৯৮৩

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৮৩


حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي ابْنَ الْمُخْتَارِ - حَدَّثَنَا ثَابِتٌ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، قَالَ سَأَلْتُ أُمَّ سَلَمَةَ كَيْفَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ هَذِهِ الآيَةَ ‏{‏ إِنَّهُ عَمَلٌ غَيْرُ صَالِحٍ ‏}‏ فَقَالَتْ قَرَأَهَا ‏{‏ إِنَّهُ عَمِلَ غَيْرَ صَالِحٍ ‏}‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَاهُ هَارُونُ النَّحْوِيُّ وَمُوسَى بْنُ خَلَفٍ عَنْ ثَابِتٍ كَمَا قَالَ عَبْدُ الْعَزِيزِ ‏.‏

শাহর ইবনু হাওশাব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি উম্মু সালামাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই কিভাবে পড়তেনঃ (আরবী)? তিনি বলেনঃ তিনি এই আয়াত এভাবে পড়তেনঃ (আরবী)।

৩৯৮৪

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৮৪


حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، أَخْبَرَنَا عِيسَى، عَنْ حَمْزَةَ الزَّيَّاتِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا دَعَا بَدَأَ بِنَفْسِهِ وَقَالَ ‏"‏ رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْنَا وَعَلَى مُوسَى لَوْ صَبَرَ لَرَأَى مِنْ صَاحِبِهِ الْعَجَبَ وَلَكِنَّهُ قَالَ ‏{‏ إِنْ سَأَلْتُكَ عَنْ شَىْءٍ بَعْدَهَا فَلاَ تُصَاحِبْنِي قَدْ بَلَغْتَ مِنْ لَدُنِي ‏}‏ ‏"‏ ‏.‏ طَوَّلَهَا حَمْزَةُ ‏.‏

উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন দু’আ করতেন তখন প্রথমে নিজের জন্য দু’আ করতেন এবং বলতেনঃ আমাদের উপর এবং মূসার উপর আল্লাহর রহমাত। যদি তিনি ধৈর্য ধারণ করতেন, তাহলে তিনি তার সঙ্গী (খিযির) থেকে আশ্চর্যকর জিনিস দেখতে পেতেন। বরং তিনি ধৈর্য্য না ধরে বলেনঃ (আরবী)। ক্বারী হামযাহ শব্দটি দীর্ঘ করে পাঠ করেন। [৩৯৮৪]

৩৯৮৫

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৮৫


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا أُمَيَّةُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو الْجَارِيَةِ الْعَبْدِيُّ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَرَأَهَا ‏{‏ قَدْ بَلَغْتَ مِنْ لَدُنِّي ‏}‏ وَثَقَّلَهَا ‏.‏

উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই আয়াতের (আরবী) লাদুন্নী শব্দের নূনকে তাশদীদ সহকারে পড়েছেন। [৩৯৮৫]

[৩৯৮৫] তিরমিযী, আহমাদ। ইমাম তিরমিযী বলেনঃ হাদীসটি গরীব, এই সূত্র ছাড়া অন্য কোন সূত্রে আমরা এটি অবহিত নাই। সানাদে আবুল জারিয়্যাহ ‘আবদী অজ্ঞাত। আমি জানি না, সে কে এবং তার নামও তার জানা যায়নি।

৩৯৮৬

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৮৬


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَسْعُودٍ الْمِصِّيصِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ دِينَارٍ، حَدَّثَنَا سَعْدُ بْنُ أَوْسٍ، عَنْ مِصْدَعٍ أَبِي يَحْيَى، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ، يَقُولُ أَقْرَأَنِي أُبَىُّ بْنُ كَعْبٍ كَمَا أَقْرَأَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏{‏ فِي عَيْنٍ حَمِئَةٍ ‏}‏ مُخَفَّفَةً ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) আমাকে ঐভাবে পড়িয়েছেন যেভাবে রাসূলুল্লাহ (রাঃ) তাকে পড়িয়েছিলেন। যেমন (আরবী)। এখানে (আরবী) শব্দটি হালকাভাবে পড়েছেন। [৩৯৮৬]

[৩৯৮৬] তিরমিযী। ইমাম তিরমিযী বলেনঃ হাদীসটি এই সূত্র ছাড়া অন্য কোন সূত্রে আমরা এটি অবহিত নই।

৩৯৮৭

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৮৭


حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ الْفَضْلِ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، - يَعْنِي ابْنَ عَمْرٍو النَّمَرِيَّ - أَخْبَرَنَا هَارُونُ، أَخْبَرَنِي أَبَانُ بْنُ تَغْلِبَ، عَنْ عَطِيَّةَ الْعَوْفِيِّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ إِنَّ الرَّجُلَ مِنْ أَهْلِ عِلِّيِّينَ لَيُشْرِفُ عَلَى أَهْلِ الْجَنَّةِ فَتُضِيءُ الْجَنَّةُ لِوَجْهِهِ كَأَنَّهَا كَوْكَبٌ دُرِّيٌّ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَهَكَذَا جَاءَ الْحَدِيثُ ‏"‏ دُرِّيٌّ ‏"‏ ‏.‏ مَرْفُوعَةُ الدَّالِ لاَ تُهْمَزُ ‏"‏ وَإِنَّ أَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ لَمِنْهُمْ وَأَنْعَمَا ‏"‏ ‏.‏

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ‘ইল্লীনের অধিবাসী এক ব্যাক্তি জান্নাতবাসীদের দিকে তাকাবে। ফলে জান্নাত তার দৃষ্টির কারণে মোতির মত উজ্জ্বল হয়ে যাবে।” বর্ণনাকারী বলেন, হাদীসে এভাবেই এসেছে। এখানে (আরবী) শব্দটি দালের উপর পেশ হবে যের বা যবর হবে না। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আবূ বাক্‌র এবং ‘উমার তাদের দলভুক্ত হবেন। বরং তারা ঐ মতির চাইতে উত্তম। [৩৯৮৭]

[৩৯৮৭] তিরমিযী, ইবনু মাজাহ। ইমাম তিরমিযী বলেনঃ ‘এই হাদীসটি হাসান।’ সানাদে ‘আত্বিয়্যাহ ‘আওফী দুর্বল।

৩৯৮৮

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৮৮


حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَهَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنِي الْحَسَنُ بْنُ الْحَكَمِ النَّخَعِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو سَبْرَةَ النَّخَعِيُّ، عَنْ فَرْوَةَ بْنِ مُسَيْكٍ الْغُطَيْفِيِّ، قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ الْحَدِيثَ فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَخْبِرْنَا عَنْ سَبَإٍ مَا هُوَ أَرْضٌ أَمِ امْرَأَةٌ فَقَالَ ‏ "‏ لَيْسَ بِأَرْضٍ وَلاَ امْرَأَةٍ وَلَكِنَّهُ رَجُلٌ وَلَدَ عَشَرَةً مِنَ الْعَرَبِ فَتَيَامَنَ سِتَّةٌ وَتَشَاءَمَ أَرْبَعَةٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ عُثْمَانُ الْغَطَفَانِيِّ مَكَانَ الْغُطَيْفِيِّ وَقَالَ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ الْحَكَمِ النَّخَعِيُّ ‏.‏

ফারওয়াহ ইবনু মুসাইক আল-গুতাইফী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম। অতঃপর হাদীস উল্লেখ করেন। এ সময় কওমের এক লোক জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাদেরকে ‘সাবা’ সম্পর্কে সংবাদ দিন। সেটা কি কোন জায়গার নাম নাকি কোন মহিলার নাম? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সেটা কোন জায়গা বা মহিলার নাম নয়। বরং তা আরবের একজন লোকের নাম। লোকটির দশজন পূত্র ছিল। যাদের ছয়জন ইয়ামানে এবং চারজন সিরিয়াতে বাস করে। [৩৯৮৮]

[৩৯৮৮] তিরমিযী। ইমাম তিরমিযী বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান গরীব।

৩৯৮৯

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৮৯


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ، وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ أَبُو مَعْمَرٍ الْهُذَلِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ عِكْرِمَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم - قَالَ إِسْمَاعِيلُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رِوَايَةً - فَذَكَرَ حَدِيثَ الْوَحْىِ قَالَ فَذَلِكَ قَوْلُهُ تَعَالَى ‏{‏ حَتَّى إِذَا فُزِّعَ عَنْ قُلُوبِهِمْ ‏}‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্রে ওয়াহীর হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন এই আয়াত পড়েছেনঃ (আরবী)।

৩৯৯০

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৯০


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ النَّيْسَابُورِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سُلَيْمَانَ الرَّازِيُّ، سَمِعْتُ أَبَا جَعْفَرٍ، يَذْكُرُ عَنِ الرَّبِيعِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ قِرَاءَةُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏{‏ بَلَى قَدْ جَاءَتْكِ آيَاتِي فَكَذَّبْتِ بِهَا وَاسْتَكْبَرْتِ وَكُنْتِ مِنَ الْكَافِرِينَ ‏}‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ هَذَا مُرْسَلٌ الرَّبِيعُ لَمْ يُدْرِكْ أُمَّ سَلَمَةَ ‏.‏

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই আয়াত এভাবে পড়েছেনঃ (আরবী)। ইমাম আবূ দাউদ বলেন, এই বর্ণনাটি মুরসাল। কারণ বর্ণনাকারী রবী‘ উম্মু সালামাহ্‌র সাক্ষাৎ পাননি। [৩৯৯০]

[৩৯৯০] আবূ দাউদ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন। সানাদে বিচ্ছিন্নতা হয়েছে। রাবী’ উম্মু সালামাহকে পাননি।

৩৯৯১

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৯১


حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مُوسَى النَّحْوِيُّ، عَنْ بُدَيْلِ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله تعالى عنها - قَالَتْ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقْرَؤُهَا ‏{‏ فَرُوحٌ وَرَيْحَانٌ ‏}‏ ‏.‏

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এই আয়াত এভাবে পড়তে শুনেছিঃ (আরবী)। [৩৯৯১]

৩৯৯২

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৯২


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ عَطَاءٍ، - قَالَ ابْنُ حَنْبَلٍ لَمْ أَفْهَمْهُ جَيِّدًا - عَنْ صَفْوَانَ، - قَالَ ابْنُ عَبْدَةَ ابْنِ يَعْلَى - عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْمِنْبَرِ يَقْرَأُ ‏{‏ وَنَادَوْا يَا مَالِكُ ‏}‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ يَعْنِي بِلاَ تَرْخِيمٍ ‏.‏

সাফওয়ান ইবনু ইয়া’লা তার পিতা থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেছেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বারের উপর এই আয়াত এভাবে পড়তে শুনেছিঃ (আরবী)। এই আয়াত ‘ইয়া মা-লা’ পড়া হয়ে থাকে।

৩৯৯৩

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৯৩


حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ، أَخْبَرَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ أَقْرَأَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏{‏ إِنِّي أَنَا الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ ‏}‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এই আয়াত এভাবে পড়িয়েছেনঃ (আরবী)।

৩৯৯৪

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৯৪


حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْرَؤُهَا ‏{‏ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ ‏}‏ يَعْنِي مُثَقَّلاً ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ مَضْمُومَةَ الْمِيمِ مَفْتُوحَةَ الدَّالِ مَكْسُورَةَ الْكَافِ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই আয়াত এভাবে পড়তেনঃ (আরবী)। ইমাম আবূ দাউদ বলেন, মীম অক্ষর পেশ, দাল অক্ষর যবর এবং কাফ অক্ষর যের বিশিষ্ট হবে।

৩৯৯৫

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৯৫


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الذِّمَارِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ ‏{‏ يَحْسَبُ أَنَّ مَالَهُ أَخْلَدَهُ ‏}‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখছি এই আয়াত এভাবে পড়তেঃ (আরবী)। [৩৯৯৫]

[৩৯৯৫] হাকিম। ইমাম হাকিম বলেনঃ সানাদ সহীহ। ইমাম যাহাবী বলেনঃ সানাদে ‘আবদুল মালিক যাঈফ।

৩৯৯৬

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৯৬


حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَمَّنْ أَقْرَأَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏{‏ فَيَوْمَئِذٍ لاَ يُعَذَّبُ عَذَابَهُ أَحَدٌ * وَلاَ يُوثَقُ وَثَاقَهُ أَحَدٌ ‏}‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ بَعْضُهُمْ أَدْخَلَ بَيْنَ خَالِدٍ وَأَبِي قِلاَبَةَ رَجُلاً ‏.‏

আবূ ক্বিলাবাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আবূ ক্বিলাবাহ (রাঃ) তার থেকে শুনেছেন, যাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (এই আয়াত) এভাবে পড়িয়েছেনঃ (আরবী)। [৩৯৯৬]

[৩৯৯৬] হাকিম। ইমাম হাকিম বলেনঃ বুখারী ও মুসলিম শর্তে সহীহ। যাহাবী তার সাথে একমত পোষণ করেছেন।

৩৯৯৭

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৯৭


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، قَالَ أَنْبَأَنِي مَنْ، أَقْرَأَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَوْ مَنْ أَقْرَأَهُ مَنْ أَقْرَأَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏{‏ فَيَوْمَئِذٍ لاَ يُعَذَّبُ ‏}‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ قَرَأَ عَاصِمٌ وَالأَعْمَشُ وَطَلْحَةُ بْنُ مُصَرِّفٍ وَأَبُو جَعْفَرٍ يَزِيدُ بْنُ الْقَعْقَاعِ وَشَيْبَةُ بْنُ نَصَّاحٍ وَنَافِعُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ كَثِيرٍ الدَّارِيُّ وَأَبُو عَمْرِو بْنِ الْعَلاَءِ وَحَمْزَةُ الزَّيَّاتُ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ الأَعْرَجُ وَقَتَادَةُ وَالْحَسَنُ الْبَصْرِيُّ وَمُجَاهِدٌ وَحُمَيْدٌ الأَعْرَجُ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسٍ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي بَكْرٍ ‏{‏ لاَ يُعَذِّبُ ‏}‏ ‏{‏ وَلاَ يُوثِقُ ‏}‏ إِلاَّ الْحَدِيثَ الْمَرْفُوعَ فَإِنَّهُ ‏{‏ يُعَذَّبُ ‏}‏ بِالْفَتْحِ ‏.‏

আবূ ক্বিলাবাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আমার কাছে ঐ ব্যাক্তি বর্ণনা করেছেন, যাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পড়িয়েছেনঃ (আরবী)। অর্থাৎ তিনি (আরবী)-এর যাল অক্ষরে যবর দিয়ে পড়তেন। [৩৯৯৭]

[৩৯৯৭] এর পূর্বেরটি দেখুন।

৩৯৯৮

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৯৮


حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ أَبِي عُبَيْدَةَ، حَدَّثَهُمْ قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ سَعْدٍ الطَّائِيِّ، عَنْ عَطِيَّةَ الْعَوْفِيِّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ حَدَّثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَدِيثًا ذَكَرَ فِيهِ ‏ "‏ جِبْرِيلَ وَمِيكَالَ ‏"‏ ‏.‏ فَقَرَأَ ‏{‏ جِبْرَائِلَ وَمِيكَائِلَ ‏}‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ قَالَ خَلَفٌ مُنْذُ أَرْبَعِينَ سَنَةً لَمْ أَرْفَعِ الْقَلَمَ عَنْ كِتَابَةِ الْحُرُوفِ مَا أَعْيَانِي شَىْءٌ مَا أَعْيَانِي جِبْرَائِلُ وَمِيكَائِلُ ‏.‏

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি হাদীসে বর্ণনা করেনঃ (আরবী)। তিনি বলেনঃ (আরবী)। এতে কয়েক ধরনের কিরাআত আছে। [৩৯৯৮]

[৩৯৯৮] আহমাদ, হাকিম। ইমাম হাকিম বলেনঃ সহীহ। ইমাম যাহাবী বলেনঃ এর সানাদে ‘আত্বিয়্যাহ ‘আওফী দুর্বল।

৩৯৯৯

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৩৯৯৯


حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ أَخْزَمَ، حَدَّثَنَا بِشْرٌ، - يَعْنِي ابْنَ عُمَرَ - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَازِمٍ، قَالَ ذُكِرَ كَيْفَ قِرَاءَةُ جِبْرَائِلَ وَمِيكَائِلَ عِنْدَ الأَعْمَشِ فَحَدَّثَنَا الأَعْمَشُ عَنْ سَعْدٍ الطَّائِيِّ عَنْ عَطِيَّةَ الْعَوْفِيِّ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ ذَكَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَاحِبَ الصُّورِ فَقَالَ ‏ "‏ عَنْ يَمِينِهِ جِبْرَائِلُ وَعَنْ يَسَارِهِ مِيكَائِلُ ‏"‏ ‏.‏

মুহাম্মাদ ইবনু খাযিম (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ

একদা আ’মাশ (রহঃ)-এর নিকট উল্লেখ করা হলো, জিবরাঈল ও মীকাঈল-এর কিরাআত কিরূপ? তখন আ’মাশ (রহঃ) আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করলেনঃ আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শিংগাওয়ালা (ইসরাফীল) সম্পর্কে আলোচনা প্রসঙ্গে বলেনঃ তার ডানপাশে জিব্‌রাঈল ও তার বাম পাশে মীকাঈল থাকবেন। [৩৯৯৯]

[৩৯৯৯] এর পূর্বের হাদীস দেখুন।

৪০০০

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৪০০০


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ مَعْمَرٌ وَرُبَّمَا ذَكَرَ ابْنَ الْمُسَيَّبِ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَعُثْمَانُ يَقْرَءُونَ ‏{‏ مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ ‏}‏ وَأَوَّلُ مَنْ قَرَأَهَا ‏{‏ مَلِكِ يَوْمِ الدِّينِ ‏}‏ مَرْوَانُ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ هَذَا أَصَحُّ مِنْ حَدِيثِ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَنَسٍ وَالزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ ‏.‏

ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ বাক্‌র, ‘উমার ও ‘উসমান (রাঃ) এ আয়াত (আরবী) এই নিয়মে অর্থাৎ ‘মীম’-এর সাথে আলিফ-সহ পড়েন। মারওয়ান সর্বপ্রথম ‘আলিফ ছাড়া পড়েন। [৪০০০]

[৪০০০] তিরমিযী। ইমাম তিরমিযী বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান গরীব। এই সানাদটি মুনকাতি। যুহরী হাদীসটি ইবনুল মুসায়্যিব থেকে শুনেননি।

৪০০১

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৪০০১


حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ يَحْيَى الأُمَوِيُّ، حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّهَا ذَكَرَتْ - أَوْ كَلِمَةً غَيْرَهَا - قِرَاءَةَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏{‏ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ * الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ * الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ * مَلِكِ يَوْمِ الدِّينِ ‏}‏ يَقْطَعُ قِرَاءَتَهُ آيَةً آيَةً ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ سَمِعْتُ أَحْمَدَ يَقُولُ الْقِرَاءَةُ الْقَدِيمَةُ ‏{‏ مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ ‏}‏ ‏.‏

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কুরআন পাঠ বর্ণনা করেন অথবা অনুরূপ শব্দ প্রয়োগ করেন (আরবী)। তিনি প্রতিটি আয়াত বিরতি দিয়ে পাঠ করতেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আমি আহ্‌মাদ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি, প্রাচীন কিরাআত হলো (আরবী)।

৪০০২

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৪০০২


حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مَيْسَرَةَ، - الْمَعْنَى - قَالاَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ حُسَيْنٍ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ كُنْتُ رَدِيفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ عَلَى حِمَارٍ وَالشَّمْسُ عِنْدَ غُرُوبِهَا فَقَالَ ‏"‏ هَلْ تَدْرِي أَيْنَ تَغْرُبُ هَذِهِ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَإِنَّهَا تَغْرُبُ فِي عَيْنِ حَامِيَةٍ ‏"‏ ‏.‏

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে একই গাধার পিঠে বসা ছিলাম, তখন সূর্য অস্ত যাচ্ছিল। তিনি আমাকে বললেনঃ তুমি কি জানো, এটা কোথায় অস্তমিত হয়? আমি বললাম, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তিনি বলেনঃ “এটা উষ্ণ পানির এক ঝর্ণায় অস্তমিত হয়” (সূরাহ কাহ্‌ফঃ ৮৬)। [৪০০২]

৪০০৩

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৪০০৩


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُمَرُ بْنُ عَطَاءٍ، أَنَّ مَوْلًى، لاِبْنِ الأَسْقَعِ - رَجُلَ صِدْقٍ - أَخْبَرَهُ عَنِ ابْنِ الأَسْقَعِ أَنَّهُ سَمِعَهُ يَقُولُ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم جَاءَهُمْ فِي صُفَّةِ الْمُهَاجِرِينَ فَسَأَلَهُ إِنْسَانٌ أَىُّ آيَةٍ فِي الْقُرْآنِ أَعْظَمُ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ‏{‏ اللَّهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ لاَ تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلاَ نَوْمٌ ‏}‏ ‏"‏ ‏.‏

ইবনুল আস্‌কা’ (রাঃ) এর মুক্তদাস হতে ইবনুল আস্‌কা’র থেকে বর্ণিতঃ

তিনি ইবনুল আস্‌কা’কে বলতে শুনেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুহাজিরদের আঙ্গিনায় তাদের নিকট আসলেন। তখন এক ব্যাক্তি তাঁকে প্রশ্ন করলো, কুরআনের কোন্‌ আয়াতটি সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ? তিনি বলেনঃ (আরবী)। আয়াতুল কুরসী।

৪০০৪

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৪০০৪


حَدَّثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرِو بْنِ أَبِي الْحَجَّاجِ الْمِنْقَرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، حَدَّثَنَا شَيْبَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ شَقِيقٍ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، أَنَّهُ قَرَأَ ‏{‏ هَيْتَ لَكَ ‏}‏ فَقَالَ شَقِيقٌ إِنَّا نَقْرَؤُهَا ‏{‏ هِئْتُ لَكَ ‏}‏ يَعْنِي فَقَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ أَقْرَؤُهَا كَمَا عُلِّمْتُ أَحَبُّ إِلَىَّ ‏.‏

ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি এ আয়াত (আরবী) (‘তা’র উপর যবর দিয়ে) পড়েছেন। শাকীক (রহঃ) বললেন, আমরা তো এ আয়াত (আরবী) (‘হা’ তে যের ও ‘তা’র উপর পেশ দিয়ে) পড়ে থাকি। ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) বললেন, আমাকে যে রীতিতে পড়া শিখানো হয়েছে, আমি সেভাবেই পড়তে ভালোবাসি। [৪০০৪]

৪০০৫

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৪০০৫


حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ شَقِيقٍ، قَالَ قِيلَ لِعَبْدِ اللَّهِ إِنَّ أُنَاسًا يَقْرَءُونَ هَذِهِ الآيَةَ ‏{‏ وَقَالَتْ هِيتَ لَكَ ‏}‏ فَقَالَ إِنِّي أَقْرَأُ كَمَا عُلِّمْتُ أَحَبُّ إِلَىَّ ‏{‏ وَقَالَتْ هَيْتَ لَكَ ‏}‏ ‏.‏

শাকীক (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ)-কে বলা হলো, কিছু লোক এ আয়াত (আরবী) পড়ে (‘হা’র নীচে যের এবং ‘তা’র উপর পেশ দিয়ে)। তিনি বললেন, আমাকে যেভাবে শিখানো হয়েছে আমি সেভাবেই পড়া পছন্দ করি। এ বলে তিনি পাঠ করলেন (আরবী) (‘হা’র উপর ও ‘তা’র উপর যবর দিয়ে)। [৪০০৫]

৪০০৬

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৪০০৬


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، قَالَ حَدَّثَنَا ح، وَحَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْمَهْرِيُّ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنَا هِشَامُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ لِبَنِي إِسْرَائِيلَ ‏{‏ ادْخُلُوا الْبَابَ سُجَّدًا وَقُولُوا حِطَّةٌ تُغْفَرْ لَكُمْ خَطَايَاكُمْ ‏}‏ ‏"‏ ‏.‏

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ বনী ইসরাঈলকে বলেনঃ (আরবী) “তোমার নতশিরে দরজা দিয়ে প্রবেশ করো আর বলতে থাকো, “ক্ষমা করুন”, তোমাদের অপরাধসমূহ ক্ষমা করা হবে” (সূরাহ আল-বাক্বারাহঃ ৫৮)। [৪০০৬]

[৪০০৬] এই সূত্রে আবূ দাউদ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন। আর বুখারী ও মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন মা’মার হতে.......।

৪০০৭

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৪০০৭


حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُسَافِرٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ سَعْدٍ، بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ ‏.‏

হিশাম ইবনু সা’দ (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ

হিশাম ইবনু সা’দ (রহঃ) হতে তার সানাদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত।

এর পূর্বেরটি দেখুন।

৪০০৮

সুনানে আবু দাউদ

অধ্যায় : কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম

হাদীস নং : ৪০০৮


حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، أَنَّ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ نَزَلَ الْوَحْىُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَرَأَ عَلَيْنَا ‏{‏ سُورَةٌ أَنْزَلْنَاهَا وَفَرَضْنَاهَا ‏}‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ يَعْنِي مُخَفَّفَةً حَتَّى أَتَى عَلَى هَذِهِ الآيَاتِ ‏.‏

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর ওয়াহী অবতীর্ণ হয়েছে আর তিনি আমাদের নিকট তা পাঠ করেছেনঃ (আরবী) (সূরাহ আন-নূরঃ ১)। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ হালকাভাবে নয়। অতঃপর তিনি সামনের দিকে পড়তে থাকেন। [৪০০৮]